সহিহ বুখারী অঃ->হিবা ও তার ফযীলত এবং এর প্রতি উৎসাহ প্রদান বাব->শিকারের গোশত হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করা সম্পর্কে। হাঃ-২৫৭২

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (মক্কার অদূরে) মার্‌রায্‌ যাহারান নামক স্থানে আমরা একটি খরগোশ তারা করলাম। লোকেরা সেটার পিছনে ধাওয়া করে ক্লান্ত হয়ে পড়ল। অবশেষে আমি সেটাকে পেয়ে গেলাম এবং ধরে আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর নিকটে নিয়ে গেলাম। তিনি সেটাকে যব্‌হ করে তার পাছা অথবা রাবী বলেন, দু’উরু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে পাঠালেন। শু‘বা (রহঃ) বলেন, দু’টি উরুই এতে কোন সন্দেহ নেই। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা গ্রহণ করেছিলেন। রাবী বলেন, আমি শু‘বা (রহঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি খেয়েছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, খেয়েছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা গ্রহণ করেছিলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->যবেহ ও শিকার করা বাব->শিকারে অভ্যস্ত হওয়া সম্পর্কে হাঃ-৫৪৮৯

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মাররুয যাহরান নামক স্থানে একটি খরগোশের পেছনে ধাওয়া করলাম। লোকজন তার পেছনে ছুটল এবং তারা ব্যার্থ হয়। এরপর আমি পেছনে ছুটলাম। অবশেষে সেটি ধরে ফেললাম। তারপর আমি এটিকে আবূ ত্বালহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটির উভয় রান ও নিতম্ব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮০)


সহিহ বুখারী অঃ->যবেহ ও শিকার করা বাব->খরগোশ হাঃ-৫৫৩৫

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা ‘মাররুয্‌ যাহরান’-এ একটি খরগোশকে ধাওয়া করলাম। তখন লোকেরাও এর পেছনে ছুটল এবং তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ল। এরপর আমি সেটিকে ধরে ফেললাম এবং আবূ ত্বলহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটিকে যবহ্‌ করলেন এবং তার পিছনের অংশ কিংবা তিনি বলেছেনঃ দু’ রান নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পাঠিয়ে দিলেন এবং তিনি তা গ্রহণ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০২৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->খরগোশ খাওয়ার বৈধতা হাঃ-৪৯৪২

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা চলতে চলতে ‘মার্‌রুয যাহ্‌রান’ নামক স্থানে পৌঁছলে সেখানে একটি খরগোশকে ধাওয়া করলাম। লোকজনও সেটাকে ধাওয়া করলো এবং তারা ক্লান্ত হয়ে পড়লো। তিনি বলেন, অবশেষে আমি ধাওয়া করে ওটা ধরে ফেলি এবং আবূ তালহার কাছে নিয়ে আসি। তিনি এটাকে যাবাহ করলেন এবং পেছনের অংশ ও উভয় রান রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে পাঠালেন। আমি এগুলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে এলে তিনি তা গ্রহণ করেন। (ই.ফা. ৪৮৯১, ই.সে. ৪৮৯২)