সহিহ বুখারী অঃ->অংশীদারিত্ব বাব->ছাগল ভেড়ার ইনসাফের ভিত্তিতে ভাগ করা। হাঃ-২৫০০

‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর কিছু বকরী সাহাবীদের মাঝে ভাগ করার জন্য তাকে (দায়িত্ব) দিয়েছিলেন। ভাগ করা শেষে এক বছর বয়সী একটা ছাগল রয়ে গেল। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সে কথা জানালে তিনি ইরশাদ করলেন, ওটা তুমিই কুরবানী কর।


সহিহ বুখারী অঃ->কুরবানী বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর দুটি শিং বিশিষ্ট মেষ কুরবানী করা। যে দুটি মোটাতাজা ছিলো বলেও উল্লেখিত হয়েছে। হাঃ-৫৫৫৫

উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশু হিসেবে সহাবীদের মধ্যে বন্টন করে দেয়ার জন্য তাকে এক পাল বকরী দান করেন। তাত্থেকে একটি বক্‌রীর বাচ্চা বাকী থেকে গেলে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা ব্যক্ত করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি নিজে তা কুরবানী করে দাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কুরবানী বাব->কুরবানীর পশুর বয়স হাঃ-৪৯৭৮

‘উক্‌বাহ্‌ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীগনের মধ্যে কুরবানীর পশু বন্টন করার জন্য তাঁকে কিছু বকরী দিলেন। একটি বাচ্চা (ছ’মাসের) বাকী রয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে জানালে তিনি বললেন, তুমি এটা কুরবানী করো। কুতাইবাহ্‌ (রহঃ) ... শব্দের স্থলে ... শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৪৯২৪, ই.সে. ৪৯২৮)