সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->মদীনাবাসীদের মীকাত ও তারা যুল-হুলায়ফাহ পৌঁছার আগে ইহ্‌রাম বাঁধবে না। হাঃ-১৫২৫

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মদীনাবাসীগণ যুল-হুলায়ফাহ হতে, সিরিয়াবাসীগণ জুহফা হতে ও নজদবাসীগণ ক্বারণ হতে ইহ্‌রাম বাঁধবে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি (অন্যের মাধ্যমে) অবগত হয়েছি, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়ামানবাসীগন ইয়ালামলাম হতে ইহ্‌রাম বাঁধবে। (১৩৩, মুসলিম ১৫/২, হাঃ ১১৮২, আহমাদ ৫০৮৭) (আঃপ্রঃ ১৪২৬, ইঃফাঃ ১৪৩২)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা হাঃ-২৬৯৫

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: মাদীনাবাসীগণ যুল হুলায়ফাহ্ থেকে, সিরিয়াবাসীগণ আল জুহফাহ্ থেকে এবং নাজদবাসীগণ ক্বারনুল থেকে ইহরাম বাঁধবে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমার কাছে খবর পৌছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম থেকে ইহরাম বাঁধবে। (ই.ফা. ২৬৭২, ই.সে. ২৬৭১)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা হাঃ-২৬৯৬

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, মাদীনাবাসীদের মুহাল (মীক্বাত) যুল হুলায়ফাহ্, সিরিয়াবাসীদের মুহাল মাহ্ইয়া‘আহ্ (মুহাই‘আহ্) অর্থাৎ আল জুহফাহ্ এবং নাজদবাসীদের মুহাল ক্বারন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, লোকেরা বলেন: রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইয়ামানবাসীদের মুহাল ইয়ালামলাম, কিন্তু আমি তা তাঁর নিকট থেকে শুনিনি। (ই.ফা. ২৬৭৩, ই.সে. ২৬৭৩)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মদীনাবাসীদের মীকাত (ইহ্‌রামের নির্ধারিত স্থান) হাঃ-২৬৫১

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মদীনাবাসীরা তালবিয়া পাঠ করবে (ইহ্‌রাম বাঁধবে) “যুলহুলায়ফা” থেকে, আর সিরিয়াবাসিগণ “জুহুফা” নামক স্থান থেকে, নজদবাসিগণ ‘কারণ’ (নামক স্থান) হতে এবং আমার নিকট বর্ণনা পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আর ইয়ামানবাসিগ্ণ ইহ্‌রাম বাঁধবে ‘ইয়ালামলাম’ থেকে।