সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->চুলা, আগুন বা এমন কোন বস্তু যার ঊপাসনা করা হয়, তা সামনে রেখে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল করারই উদ্দেশ্যে সালাত আদায়। হাঃ-৪৩১

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একবার সূর্য গ্রহণ হলো। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেনঃ আমাকে জাহান্নাম দেখানো হয়েছে। আজকের মত ভয়াবহ দৃশ্য ইতোপূর্বে কখনো দেখিনি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪১৯)


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ তোমরা যে খর্জুর বৃক্ষগুলো কর্তন করেছ বা যেগুলো কান্ডের উপর স্থির রেখে দিয়েছ, তা তো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে; এতো এ জন্য যে, আল্লাহ্ পাপাচারীদেরকে লাঞ্ছিত করবেন- (সূরাহ আল-হাশর ৫৯/৫)। হাঃ-৪৮৮৪

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বানী নযীর গোত্রের খেজুর গাছ জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন এবং কেটে ফেলেছিলেন। এ গাছগুলো ছিল ‘বুয়াইরা’ নামক জায়গায়। এরপর অবতীর্ণ করেছেন আল্লাহ্ তা‘আলা ঃ তোমরা যে খর্জুর বৃক্ষগুলো কর্তন করেছ বা যেগুলোকে কাণ্ডের উপর স্থির রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহ্‌রই অনুমতিক্রমে; এ এজন্য যে, আল্লাহ্ পাপাচারীদেরকে লাঞ্ছিত করবেন। [২৩২৬] (আ.প্র. ৪৫১৬, ই.ফা. ৪৫১৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->কাফিরদের গাছ-পালা কাটা ও জ্বালিয়ে দেয়া বৈধ হাঃ-৪৪৪৪

‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিলেন এবং কেটে দিলেন। বুওয়াইরাহ ছিল সে বাগানের নাম। কুতাইবাহ এবং ইবনু রুমহ (রহঃ) উভয়েই তাঁদের হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করেন: “তোমরা যেসব খেজুর বৃক্ষ কেটে ফেলেছো কিংবা তার কাণ্ডের উপর খাড়া রেখেছ, সবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে, যাতে তিনি পাপাচারীদের অপদস্থ করেন।” (ই.ফা. ৪৪০২, ই.সে. ৪৪২০)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->কাফিরদের গাছ-পালা কাটা ও জ্বালিয়ে দেয়া বৈধ হাঃ-৪৪৪৫

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান কেটেছিলেন এবং জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। এ সম্পর্কে কবি হাসসান (রাঃ) বলেন, “বনী লুওয়াই (অর্থাৎ-কুরায়শ) এর নেতাদের কাছে বুওয়াইরায় আগুনের লেলিহান শিখা খুব সহজ হয়ে গেছে।” আর এ সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে এ আয়াত : (অর্থ) “তোমরা যেসব খেজুর গাছ কেটেছো অথবা তা কাণ্ডের উপর রেখে দিয়েছ” আয়াতটির শেষ পর্যন্ত। (ই.ফা. ৪৪০৩, ই.সে. ৪৪০৩)