সহিহ বুখারী অঃ->আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) বাব->আদম (‘আঃ) ও তাঁর সন্তানাদির সৃষ্টি। হাঃ-৩৩৩৫

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হলে, তার এ খুনের পাপের অংশ আদম (‘আঃ) এর প্রথম ছেলে (কাবিলের) উপর বর্তায়। কারণ সেই সর্বপ্রথম হত্যার প্রচলন ঘটায়। (৬৮৬৭, ৬৩২১) (মুসলিম ২৮/৭ হাঃ ১৬৭৭, আহমাদ ৩৬৩০) (আ.প্র. ৩০৮৯, ই.ফা. ৩০৯৭)


সহিহ বুখারী অঃ->রক্তপণ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ আর কেউ কারো প্রাণ রক্ষা করলে। (সূরা আল-মায়িদাহ ৫/৩২) হাঃ-৬৮৬৭

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ কোন মানুষকে হত্যা করা হলে আদম (আঃ)- এর প্রথম সন্তান (কাবীল) এর উপর (অপরাধের) কিছু অংশ অবশ্যই পড়বে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪০১)


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন ও সুন্নাহ্‌কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা বাব->পথভ্রষ্টতার দিকে ডাকা অথবা কোন খারাপ পদ্ধতি প্রবর্তনের অপরাধ। হাঃ-৭৩২১

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন ব্যক্তিকেই অন্যায়ভাবে কতল করা হয়, তার পাপের ভাগ আদাম (আঃ)-এর প্রথম (হত্যাকারী) পুত্রের উপরও পড়বে। রাবী সুফ্ইয়ান مِنْ دَمِهَا তার রক্তপাত করার অপরাধ তার উপরেও পড়বে উল্লেখ করেছেন। কারণ সেই প্রথমে হত্যার রীতি চালু করে।[১] [৩৩৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২২)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘কাসামাহ’ (খুনের ব্যপারে হলফ করা), ‘মুহারিবীন’ (শত্রু সৈন্য), ‘কিসাস” (খুনের বদলা) এবং ‘দিয়াত’ (খুনের শাস্তি স্বরূপ জরিমানা) বাব->যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম হত্যার প্রচলন করল- তার পাপের বর্ণনা হাঃ-৪২৭১

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি অত্যাচারিত হয়ে খুন হয়, তবে সে খুনের একাংশ (পাপ) আদম (আঃ)-এর প্রথম পুত্র (কাবিল)-এর উপর বর্তায়। কেননা সে সর্বপ্রথম খুনের প্রথা প্রচলন করেছিল। (ই.ফা. ৪২৩২, ই.সে. ৪২৩২)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘কাসামাহ’ (খুনের ব্যপারে হলফ করা), ‘মুহারিবীন’ (শত্রু সৈন্য), ‘কিসাস” (খুনের বদলা) এবং ‘দিয়াত’ (খুনের শাস্তি স্বরূপ জরিমানা) বাব->যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম হত্যার প্রচলন করল- তার পাপের বর্ণনা হাঃ-৪২৭২

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাসীস বর্ণনা করেছেন। তবে জারীর এবং ইসহাক্ (রহঃ)-এর হাদীসে …… (কেননা সে খুনের প্রথা প্রচলন করেছে) এ কথার উল্লেখ আছে। কিন্তু …… (প্রথম) কথাটির উল্লেখ নেই।(ই.ফা. ৪২৩৩, ই.সে. ৪২৩৩)