জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে সম্পত্তির ভাগ বাঁটোয়ারা হয় নি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে শুফ’আ [১৬] এর অধিকার প্রদান করেছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তা ভিন্ন করা হয়, তখন আর শুফ’আ এর অধিকার থাকবে না।
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, তার মধ্যে শুফ’আ লাভের ফায়সালা প্রদান করেছেন। তারপর যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং স্বতন্ত্র করা হয় তখন আর শু’ফআ এর অধিকার থাকবে না। (ই.ফা. ২০৭২) মুসাদ্দাদ (রহঃ) …………আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) হতে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, যে সম্পদ ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি (তাতে শু’ফআ)। হিশাম (রহঃ) মা’মর (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদের অনুসরণ করেছেন। আবদুর রায্যাক (রহঃ) বলেছেন, যে সম্পদের ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, সে সব সম্পদেই (শুফ’আ রয়েছে)। হাদীসটি আবদুর রহমান ইব্নু ইসহাক (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। (২২১৩) (আ.প্র. ২০৫৭, ই.ফা. ২০৭৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সব সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়নি, তাতে শুফ্‘আ এর ফায়সালা দিয়েছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তাও পৃথক হয়ে যায়, তখন শুফ্‘আ এর অধিকার থাকে না।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে সব (স্থাবর) সম্পত্তি এখনো ভাগ করা হয়নি, সেগুলোর ক্ষেত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুফ‘আ এর (তথা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার) বিধান দিয়েছেন। এরপর সীমানা ঠিক করা হলে এবং পথ আলাদা করে নেয়া হলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না।
জাবীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সব ধরনের অবণ্টিত স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে শুফ‘আর ফায়সালা দিয়েছেন। এরপর সীমানা নির্ধারণ করে পথ আলাদা করে নেয়া হলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না।