সহিহ বুখারী অঃ->সাক্ষ্যদান বাব->অন্যায়ের পক্ষে সাক্ষী বানানো হলেও সাক্ষ্য দিবে না। হাঃ-২৬৫২

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার যুগের লোকেরাই সর্বোত্তম ব্যক্তি, অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। এরপর এমন সব ব্যক্তি আসবে যারা কসম করার আগেই সাক্ষ্য দিবে, আবার সাক্ষ্য দেয়ার আগে কসম করে বসবে। ইবরাহীম (নাখ্‌ঈ) (রহঃ) বলেন, আমাদেরকে সাক্ষ্য দিলে ও অঙ্গিকার করলে মারতেন।


সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের ফযীলত। [১] হাঃ-৩৬৫১

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমার উম্মাতের সর্বোত্তম মানুষ আমার যুগের মানুষ (সাহাবীগণ)। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। অতঃপর তৎপরবর্তী যুগ। অতঃপর এমন লোকদের আগমন হবে যাদের কেউ সাক্ষ্য দানের পূর্বে কসম এবং কসমের পূর্বে সাক্ষ্য দান করবে। ইব্রাহীম (নাখ্‌য়ী; রাবী) বলেন, ছোট বেলায় আমাদের মুরুব্বীগণ আল্লাহ্‌র নামে কসম করে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য এবং ওয়াদা-অঙ্গীকার করার কারণে আমাদেরকে মারধর করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৭৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৩৮৬)


সহিহ বুখারী অঃ->শপথ ও মানত বাব->যখন কেউ বলেঃ আল্লাহকে আমি সাক্ষী মানছি অথবা যদি বলে, আল্লাহকে আমি সাক্ষী করেছি। হাঃ-৬৬৫৮

আবদুল্লাহ ইব্‌নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একবার জিজ্ঞেস করা হল, কোন মানুষ সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ আমার সময়ের মানুষ। এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা, এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা। এরপরে এমন লোক আসবে যে তাদের সাক্ষ্য কসমের উপর অগ্রগামী হবে, আর কসম সাক্ষ্যের উপর অগ্রগামী হবে। রাবী ইবরাহীম বলেন যে, আমরা যখন বালক ছিলাম তখন আমাদের সঙ্গীরা সাক্ষ্য এবং অঙ্গীকারের সঙ্গে কসম করতে নিষেধ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->সহাবাহ, তাবিঈ ও তাবি তাব’ঈগণের ফাযীলত হাঃ-৬৩৬৪

আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেনঃ আমার যুগের লোক, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ, তারপর তাদের সন্নিকটবর্তী যুগ। তারপর এমন এক সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে, যাদের সাক্ষীর পূর্বে শপথ ত্বরান্বিত হবে এবং শপথের পূর্বে সাক্ষী সংঘটিত হবে। ইবরাহীম বলেছেন আমাদের শৈশবে লোকেরা আমাদেরকে শপথ এবং সাক্ষ্য দান হতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৬২৪০, ই.স ৬২৮৮)