সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->‘‘হে নাবী! আল্লাহ্ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন, আপনি তা হারাম করেছেন কেন? আপনি আপনার স্ত্রীদের খুশী করতে চাইছেন। আল্লাহ্ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়াল।’’ (সূরাহ আত্-তাহরীম ৬৬/১) হাঃ-৪৯১১

সা‘ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, এরূপ হারাম করে নেয়া হলে কাফ্ফারা দিতে হবে। ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ-ও বলেছেন যে, “রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মাঝে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।” [৫২৬৬; মুসলিম ১৮/৩, হাঃ ১৪৭৩, আহমাদ ১৯৭৬] আ.প্র. ৪৫৪২, ই.ফা. ৪৫৪৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->ত্বলাক্বের নিয়্যাত না করে স্ত্রীকে ‘হারাম’ সাব্যস্ত করলে তার উপর কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব হবে হাঃ-৩৫৬৮

সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে (লিখিতরূপে) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সা’ঈদ) বলেছেন যে, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) স্ত্রীকে নিজের জন্য হারাম করা সম্বন্ধে বলতেন যে, তা কসম (ইয়ামীন) সাব্যস্ত হবে, তার কাফ্ফারাহ্ আদায় করবে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) (এ প্রসঙ্গে) আরো বলেছেন, (পবিত্র কুরআনের) (আরবী) (আয়াত উদ্ধৃত করে) “তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। “ (সূরাহ্ আল আহ্যাব ৩৩:২১) (ই.ফা. ৩৫৪০, ই.সে. ৩৫৩৯)