সহিহ বুখারী অঃ->বিয়ে-শাদী বাব->(আল্লাহ্‌ বলেন,), “তোমাদের জন্য দুধমাকে (বিয়ে) হারাম করা হয়েছে।” (সূরাহ আন্‌-নিসা ৪/২৩) হাঃ-৫১০০

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলু্ল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলল, আপনি কেন হামযাহ (রাঃ) - এর মেয়েকে বিয়ে করছেন না? তিনি বললেন, সে আমার দুধ সম্পর্কের ভাইয়ের মেয়ে। বিশ্‌র ... জাবির বিন যায়দ থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->দুধপান বাব->দুধমায়ের স্বামীর সাথে হারাম সাব্যস্ত হওয়া হাঃ-৩৪৭১

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, আফ্‌লাহ নামক তাঁর দুধচাচা তাঁর সাথে সাক্ষাত করার জন্য অনুমতি চাইলেন। তিনি তাঁকে নিষেধ করে দেন। অতঃপর তিনি এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবহিত করলেন। তিনি তাঁকে বললেন, তুমি তাঁর থেকে পর্দা করবে না। কেননা দুধ পানের সম্পর্ক দ্বারা ঐসব লোক হারাম হয়ে যায় যারা রক্ত সম্পর্ক দ্বারা হারাম হয়। (ই.ফা. ৩৪৪৪, ই.স. ৩৪৪৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->দুধপান বাব->দুধ ভাইয়ের কন্যা হারাম প্রসঙ্গে হাঃ-৩৪৭৫

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হামযার কন্যার বিবাহের প্রস্তাব দেয়া হয়। তিনি বলেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা সে আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। আর দুধপান দ্বারা ঐসব লোক হারাম হয়ে যায় যারা রক্ত সম্পর্কের দ্বারা হারাম হয়। (ই.ফা. ৩৪৪৮, ই.সে. ৩৪৪৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->দুধ ভাই-এর কন্যা হারাম হওয়া হাঃ-৩৩০৫

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হামযার (রাঃ) কন্যা (কে বিবাহ করা) সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তো আমার দুধ ভাইয়ের কন্যা। শু’বা (রহঃ) বলেন, কাতাদা (রহঃ) জাবির ইবন যায়দ (রহঃ) হতে এটা শুনেছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->দুধ ভাই-এর কন্যা হারাম হওয়া হাঃ-৩৩০৬

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হামযা (রাঃ)-এর কন্যাকে বিবাহ করা সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলা হলে তিনি বললেনঃ সেতো আমার দুধ ভাই-এর কন্যা। আর বংশ সুত্রে যারা হারাম হয়, দুধ পান সম্পর্ক দ্বারা তারা হারাম হয়।