সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->সদাক্বাতুল ফিত্‌র বা ফিত্‌রার বর্ণনা হাঃ-২১৭৪

আবূ সা'ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমরা ছোট, বড়, স্বাধীন, ক্রীতদাস- প্রত্যেকের পক্ষ থেকে এক সা' খাদ্য (অর্থাৎ গম) বা এক সা' পনির, বা এক সা' যব বা এক সা' খেজুর বা এক সা' শুষ্ক আঙ্গুর ফিত্‌রা হিসেবে বের করতাম। আমরা এভাবেই ফিত্‌রা আদায় করে আসছিলাম। শেষ পর্যন্ত যখন মু'আবিয়াহ্ (রাঃ) হাজ্জ বা 'উমরার উদ্দেশে আমাদের মাঝে গমন করলেন, তিনি লোকদের উদ্দেশে ওয়ায করলেন এবং বললেনঃ আমি জানি যে, সিরিয়ার দু' মুদ্দ লাল গম এক সা' খেজুরের সমান। সুতরাং লোকেরা তার এ অভিমত গ্রহণ করল। আবূ সা'ঈদ বলেন, কিন্তু আমি যতদিন জীবিত থাকব ততদিন পূর্বের ন্যায় যে পরিমাণে ও যে নিয়মে দিচ্ছিলাম সেভাবেই দিতে থাকব। (ই.ফা. ২১৫৩, ই.সে. ২১৫৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->সদাক্বাতুল ফিত্‌র বা ফিত্‌রার বর্ণনা হাঃ-২১৭৫

আবূ সা'ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে বর্তমান থাকা অবস্থায় আমরা ছোট-বড়, আযাদ-গোলাম প্রত্যেকের পক্ষ থেকে তিন ধরনের জিনিস যথা- এক সা' খেজুর অথবা এক সা' পনির অথবা এক সা' বার্লি (যব) দিয়ে ফিত্রা আদায় করতাম। আমরা এভাবেই ফিত্রা আদায় করে আসছিলাম। অতঃপর মু'আবিয়াহ্ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে রায় দিলেন যে, দু'মুদ্দ গম এক সা' খেজুরের সমান (বিনিময়ের দিক থেকে)। আবূ সা'ঈদ (রাঃ) বলেন, কিন্তু আমি পূর্বের নিয়মেই ফিত্রা আদায় করে আসছি। (ই.ফা. ২১৫৪, ই.সে. ২১৫৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->শুষ্ক আঙ্গুর (কিশমিশ) হাঃ-২৫১২

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে অবস্থানকালে আমরা এক “সা” খাদ্য, এক “সা” যব, এক “সা” খেজুর, এক “সা” শুষ্ক আঙ্গুর (কিশমিশ) অথবা এক “সা” পনির সাদাকায়ে ফিতর রূপে আদায় করতাম।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->শুষ্ক আঙ্গুর (কিশমিশ) হাঃ-২৫১৩

আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে অবস্থানকালে আমরা এক “সা” করে খাদ্য, এক “সা” খেজুর, এক “সা” যব অথবা এক “সা” পনির সাদাকায়ে ফিতররূপে আদায় করতাম। মুআবিয়া (রাঃ) সিরিয়া থেকে আগমন করা পর্যন্ত (আমরা এ পরিমানেই আদায় করতাম)। এরপর তিনি লোকদেরকে শিক্ষা দিতে গিয়ে বলতে লাগলেন যে , সিরিয়ার দু’ মুদ্দ (সের) গম আমাদের (দেশীয় এক “সা”) যব, খেজুর ইত্যাদি) এর সমপরিমান হবে বলেই আমার মনে হয়। রাবী বলেন, এরপর লোকজন এর উপরেই আমল করতে শুরু করে দিল।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->যব দ্বারা সাদাকায়ে ফিতর আদায় করা প্রসঙ্গে হাঃ-২৫১৭

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা এক “সা” যব, খেজুর, কিশমিশ অথবা পনির (সাদাকায়ে ফিতর) রুপে আদায় করতাম। আমরা এই (রুপেই) আদায় করেছিলাম। মুআবিয়া (রাঃ) এর যুগ আসলে তিনি বললেন যে, সিরিয়ার দু’-মুদ্দ (সামায়া) গম এক “সা” যবের সম পরিমাণ হবে বলেই আমার মনে হয়।