বনূ আযহারের আযাদকৃত গোলাম আবূ ‘উবাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একদা ঈদে ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই দুই দিনে সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিতরের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর গোশত্ খাও। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, ইব্নু ‘উয়ায়নাহ (রহঃ) বলেন, যিনি ইব্নু আযহারের মাওলা বলে উল্লেখ করেছেন, তিনি ঠিক বর্ণনা করেছেন; আর যিনি ‘আবদুর রহমান ইব্নু ‘আওফ (রাঃ)- এর মাওলা বলেছেন, তিনিও ঠিক বর্ণনা করেছেন।
ইবনু আযহাবের আযাদকৃত দাস আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উমর ইবনু খত্তাব (রাঃ)- এর সঙ্গে কুরবানীর ঈদের দিন ঈদগাহে হাযির ছিলেন। ‘উমর (রাঃ) খুতবার পূর্বে সলাত আদায় করেন। এরপর উপস্থিত জনতার সামনে খুতবা দেন। তখন তিনি বলেনঃ হে লোক সকল! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’ ঈদের দিনে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। তার মধ্যে একটি হল, তোমাদের সিয়াম ভঙ্গ করার দিন ( অর্থাৎ ঈদুল ফিতর)। আর অন্যটি হল, এমন দিন যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশ্ত খাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)
ইবনু আযহারের মুক্ত গোলাম আবূ ‘উবায়দ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ঈদের দিন ‘উমার ইবনু খাত্ত্বাব (রাঃ)–এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। তিনি সালাত আদায় সমাপ্ত করে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছিলেন। এতে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’দিন সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। ‘ঈদুল ফিতরের দিন, আর দ্বিতীয় হলো যেদিল তোমরা কুরবানীর গোশ্ত খেয়ে থাক। [৭] (ই. ফা. ২৫৩৮ ই. সে. ২৫৩৭)
আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) এর সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগে সলাত আদায় করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে তিনদিনের পর কুরবানীর গোশ্ত খেতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৪৯৩৬, ই.সে. ৪৯৪১)