সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->সাহরীতে বারকাত রয়েছে তবে তা ওয়াজিব নয় । হাঃ-১৯২৩

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাহরী খাও। কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব হাঃ-২৪৩৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাহ্‌রী খাও, সাহ্‌রীতে বারাকাত রয়েছে। (ই.ফা. ২৪১৬, ই.সে. ২৪১৫)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->সাহ্‌রী খাওয়ার ফাযীলাত হাঃ-৭০৮

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাহ্‌রী খাও, কেননা, সাহ্‌রী খাওয়ার মধ্যে বারকাত আছে। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৯২), বুখারী, মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৪৪

আব্দুলাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী (ভোর রাত্রের খাওয়া) খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৪৪

আব্দুলাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী (ভোর রাত্রের খাওয়া) খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৪৪

আব্দুলাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী (ভোর রাত্রের খাওয়া) খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৪৬

আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আব্দুল মালিক ইব্‌ন আবূ সুলাইমান (রহঃ) সুত্রে এ হাদীস বর্ণনায় সনদের পার্থক্য হাঃ-২১৪৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আব্দুল মালিক ইব্‌ন আবূ সুলাইমান (রহঃ) সুত্রে এ হাদীস বর্ণনায় সনদের পার্থক্য হাঃ-২১৪৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আব্দুল মালিক ইব্‌ন আবূ সুলাইমান (রহঃ) সুত্রে এ হাদীস বর্ণনায় সনদের পার্থক্য হাঃ-২১৫০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আব্দুল মালিক ইব্‌ন আবূ সুলাইমান (রহঃ) সুত্রে এ হাদীস বর্ণনায় সনদের পার্থক্য হাঃ-২১৫১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা সাহারী খাও। কেননা সাহারীতে বরকত রয়েছে।