সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->রাতের প্রথমভাগে গোসল করা হাঃ-২২২

গুযায়ফ ইব্‌ন হারিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়েশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের কোন অংশে গোসল করতেন? তিনি বললেনঃ কোন কোন সময় তিনি রাতের প্রথমভাগে গোসল করতেন আবার কোন কোন সময় রাতের শেষ ভাগে গোসল করতেন। আমি বললাম, সকল প্রশংসা সেই আল্লাহ্‌র, যিনি এ ব্যাপারে অবকাশ রেখেছেন।


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->সফরে নামায কসর আদায় করা বাব->নামায সম্পর্কিত বিবিধ আহ্কাম হাঃ-৪০৫

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) জনৈক ব্যক্তিকে সম্বোধন করে বলেছেন, তুমি এমন এক যুগে বাস করছ, যে যুগে ধর্মীয় বিষয়ে বিজ্ঞ অনেক আলিম রয়েছেন, কারী আছেন কম (অর্থাৎ আমল ও জ্ঞান ছাড়া কেবল কুরআন পাঠকারীদের সংখ্যা অতি অল্প)। এই যুগে কুরআনের আদেশ নিষেধ প্রভৃতি হিফাযত করা হয়, শব্দের দিকে মনোযোগ দেয়া হয় কম, ভিক্ষুকের সংখ্যা কম, দাতার সংখ্যা বেশি, নামায আদায় করেন দীর্ঘ আর খুতবা পাঠ করেন ছোট। সে যুগে প্রবৃত্তি বা খাহেশাতের তাঁবেদারীর পূর্বে তাঁরা আমল শুরু করে দেন। অদূর ভবিষ্যতে মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে, সে যুগে বিজ্ঞ উলামা হবেন অল্প। কারিগণ হবেন অনেক, কুরআনের শব্দসমূহের হিফাযত করা হবে, অপরদিকে আহকামে কুরআনকে বরবাদ করা হবে (আমলের প্রতি নযর দেবে কম)। ভিক্ষুক হবে অনেক, দাতার সংখ্যা হবে অল্প। খুতবা লম্বা প্রদান করবে আর নামায আদায় করবে মুখতাসার, আমলের নয়, খাহেশাত বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)