রিয়াহ ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি অমুক লোকের (মুগীরাহ ইবনু শু’বার) নিকট কুফার মাসজিদে বসা ছিলাম এবং তার নিকট কুফার লোকজনও উপস্থিত ছিল। এ সময় সাঈদ ইবনু যায়িদ ‘আমর ইবনু নুফাইল (রাঃ) এলে তিনি তাকে সাদর সম্ভাষণ ও সালাম জানিয়ে খাটের উপর নিজের পায়ের কাছে বসালেন। অতঃপর ক্বাইস ইবনু ‘আলক্বামাহ নামক জনৈক কুফাবাসী এলে তাকেও অভ্যর্থনা জানালেন। তারপর সে গালাগালি করতে লাগলো। সাঈদ (রাঃ) বললেন, এ ব্যক্তি কাকে গালি দিচ্ছে? তিনি বললেন, সে ‘আলী (রাঃ) -কে গালি দিচ্ছে। তিনি বললেন, আমি দেখতে পাচ্ছি, সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীকে আপনার সম্মুখে গালি দিচ্ছে অথচ আপনি তাকে নিষেধ করছেন না আর থামাচ্ছেনও না! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি তাঁর সম্পর্কে এমন উক্তি করা হতে মুক্ত যা তিনি বলেননি। অতঃপর ক্বিয়ামাতের দিন যখন তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে তখন এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। আবূ বকর (রাঃ) জান্নাতী, ‘উমার (রাঃ) জান্নাতী। বর্ণনাকারী অতঃপর অনুরূপ অর্থের বর্ণনা করলেন এবং তিনি বললেন, তাদের কোন একজনের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ, যে সাহচর্যে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না তাও তোমাদের কোন ব্যক্তির সারা জীবনের আমলের চেয়ে উত্তম, যদিও সে নূহ (আঃ)-এর মতো দীর্ঘ আয়ু পায়।
আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আবূ বকর জান্নাতী, ‘উমার জান্নাতী, ‘উসমান জান্নাতী, ‘আলী জান্নাতী, ত্বালহা জান্নাতী, যুবাইর জান্নাতী, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ জান্নাতী, সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস জান্নাতী, সা’ঈদ জান্নাতী এবং আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনুল জাররাহ জান্নাতী। সহীহঃ মিশকাত (৬১১), তাখরীজ ত্বাহাভীয়াহ্ (৭২৮)।
সা’ঈদ ইবনু যাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একদল লোকদের মাঝে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দশজন লোক জান্নাতী। (তারা হলেন) আবূ বকর জান্নাতী, ‘উমার জান্নাতী এবং ‘আলী, ‘উসমান, যুবাইর, ত্বালহা, ‘আবদুর রহমান, আবূ ‘উবাইদাহ্ এবং সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি উক্ত নয়জনকে গণনা করেন এবং দশম লোক প্রসঙ্গে নীরব থাকেন। সে সময় লোকেরা বলল, হে আবুল আও্ওয়ার! আপনাকে আমরা আল্লাহর নামে ক্বসম দিয়ে বলছি, দশম লোক কে? তিনি বলেন, তোমরা আমাকে আল্লাহ্র নামে ক্বসম দিয়ে প্রশ্ন করেছ। আবুল আ’ওয়ার জান্নাতী। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৩৩)।