সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ হাদীস বর্ণনায় ইয়াহ্‌য়া ইব্‌ন আবূ কাসীর ও নায্‌র ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) –এর বর্ণনার পার্থক্যের উল্লেখ হাঃ-২২০৯

আবূ সালামা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর পূর্বের অনুরূপ হাদীস বর্ননা করলেন এবং বললেন যে, যে ব্যক্তি রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করে এবং তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে এবং সওয়াবের নিয়তে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ হাদীস বর্ণনায় ইয়াহ্‌য়া ইব্‌ন আবূ কাসীর ও নায্‌র ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) –এর বর্ণনার পার্থক্যের উল্লেখ হাঃ-২২১০

নযর ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ)-কে বললামঃ আপনি আমার কাছে রমযান মাস সম্পর্কে যা আপনি আপনার পিতা থেকে শুনেছেন। আর আপনার পিতা তা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এমতাবস্হায় শুনেছিলেন যে, আপনার পিতা এবং রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মাঝখানে অন্য আর কেউ ছিল না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আমার কাছে বর্ননা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর রমযান মাসের সাওম (রোযা) ফরয করেছেন এবং আমি তোমাদের জন্য তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) কে সুন্নাত করে দিয়েছি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করে এবং তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, সে স্বীয় গুনাহসমূহ থেকে সে দিনের মত পবিত্র হয়ে যায় যে দিন তার মাতা তাকে প্রসব করেছিল।