সহিহ বুখারী অঃ->বিতর বাব->বিত্‌রের বর্ণনা। [১] হাঃ-৯৯০

ইব্‌নু ‘ঊমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ রাতের সালাত দু’ দু’ (রাক’আত) করে। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ফজর হবার আশঙ্কা করে, সে যেন এক রাক’আত সালাত আদায় করে নেয়। আর সে যে সালাত আদায় করলো, তা তার জন্য বিত্‌র হয়ে যাবে।


সহিহ বুখারী অঃ->বিতর বাব->বিত্‌রের বর্ণনা। [১] হাঃ-৯৯৩

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের সালাত দু’ দু’ রাক’আত করে। অতঃপর যখন তুমি সালাত শেষ করতে চাইবে, তখন এক রাক’আত আদায় করে নিবে। তা তোমার পূর্ববর্তী সালাতকে বিত্‌র করে দিবে। ক্বাসিম (রহঃ) বলেন, আমরা সাবালক হয়ে লোকদের তিন রাক’আত বিত্‌র আদায় করতে দেখেছি। উভয় নিয়মেরই অবকাশ রয়েছে। আমি আশা করি এর কোনটিই দূষনীয় নয়।


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালের সলাত দু' দু' রাক‘আত, আর রাত্রির শেষে এক রাক‘আত বিতর হাঃ-১৬৩৩

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাতের সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ রাতের সলাত দু‘ দু‘ রাক‘আত করে আদায় করবে। যখন ভোর হওয়ার সম্ভাবনা দেখবে তখন এক রাক‘আত সলাত আদায় করে নিবে। যে সলাত আদায় করেছে এভাবে তা বিতরে পরিণত হবে। (ই.ফা. ১৬১৮, ই.সে. ১৬২৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালের সলাত দু' দু' রাক‘আত, আর রাত্রির শেষে এক রাক‘আত বিতর হাঃ-১৬৩৫

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল-হে আল্লাহর রসূল! রাতের সলাত কীভাবে আদায় করতে হবে? জবাবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ রাতের সলাত দু‘ দু‘ রাক‘আত করে আদায় করবে। অতঃপর যখন ভোর হয়ে আসছে বলে মনে করবে তখন এক রাক‘আত বিত্‌র আদায় করবে। (ই.ফা. ১৬২০, ই.সে. ১৬২৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালের সলাত দু' দু' রাক‘আত, আর রাত্রির শেষে এক রাক‘আত বিতর হাঃ-১৬৪৮

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের সলাত (নাফ্‌ল সলাত ) দু’ রাক‘আত করে আদায় করবে। তবে যখন দেখবে যে, সকাল হয়ে যাচেছ তখন এক রাক‘আত বিত্‌র আদায় করবে। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হল-দু‘ দু‘ রাক‘আত কীভাবে আদায় করতে হবে? তিনি বললেনঃ প্রতি দু‘ রাক‘আত আদায় করে সালাম ফিরাবে। (ই.ফা.১৬৩৩, ই.সে. ১৬৪০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->দিনের নাফ্‌ল সলাতের বর্ণনা হাঃ-১২৯৫

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের এবং দিনের (নাফল) সলাত দু’ রাক’আত করে আদায় করতে হয়।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->রাতের সলাত দু’ দু’ রাক’আত করে হাঃ-১৩২৬

‘আবদুল্লা ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা কতিপয় লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রাতের সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলেন, রাতের সলাত হচ্ছে দু’ দু’ রাক’আত করে। তোমাদের কেউ সুবহি সাদিকের আশংকা করলে পূর্বে যেটুকু সলাত আদায় করেছে তা বিতর করতে এক রাক’আত সলাত আদায় করে নিবে। সহীহঃ বুখারি ও মুসলিম


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রাতের ও দিনের সালাত দু’ রাকআত করে। হাঃ-১৩২২

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রাত ও দিনের সালাত দু’ দু’ রাকআত করে। [১৩২২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রাতের ও দিনের সালাত দু’ রাকআত করে। হাঃ-১৩২৫

মুত্তালিব বিন আবূ ওয়াদাআহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাতের সালাত দু’ দু’ রাকআত করে। প্রতি দু’ রাকআতের শেষে রয়েছে তাশাহহুদ। অত্যন্ত বিনয়-নম্রতা সহকারে, শান্তভাবে ও একাগ্রতার সাথে সালাত পড়বে এবং বলবে : "হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা করুন।" যে ব্যক্তি তা করেনি তার নামায ত্রুটিপূর্ণ। [১৩২৫]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->রাতের (নফল) নামায দুই দুই রাক’আত হাঃ-৪৩৭

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রাতের নামায দুই দুই রাক’আত (করে আদায় করতে হয়)। তুমি যদি ভোর হয়ে যাওয়ার ভয় কর তবে এক রাক’আত করে বিতর পূর্ণ করে নাও। বিতর নামাযকেই তোমার সর্বশেষ নামায কর। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১৩১৯, ১৩২০), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->রাত্রের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৬৬

আলী আয্‌দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উমর (রাঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাত্রের এবং দিনের সালাত দু’রাকআত দু’রাকআত করে আদায় করবে। আবূ আব্দুর রহমান নাসায়ী (রহঃ) বলেন। অত্র হাদীস শরীফ আমার ধারণা মতে ভুল। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->রাত্রের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৬৮

মুহাম্মাদ ইব্‌ন সাদাকাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিমের পিতা সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাত্রের সালাত দু’রাকআত দু’রাকআত। যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় করে নেবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->রাত্রের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৭১

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “রাত্রের সালাত দু’রাকআত, দু’রাকআত (করে আদায় করবে)। “যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।”


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->রাত্রের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৭৩

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->রাত্রের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৭৪

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বাক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! রাত্রের সালাত কিরূপে আদায় করতে হবে? রাসুলুল্লাহ্ বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাতের একটি রাকআত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৯২

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাত্রের সালাত হল দু’রাকআত, দু’রাকআত। যখন তুমি ফিরে যেতে চাও তখন একটি রাকআত আদায় করে নাও, যা তোমার পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে বেজোড় বানিয়ে নেবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাতের একটি রাকআত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৯৩

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাত্রের সালাত হল দু’রাকআত, দু’রাকআত। আর বিত্‌রের সালাত হল (পূর্বের আদায়কৃত সালাত সমূহের সাথে মিলিত) একটি রাকআত।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাতের একটি রাকআত কিভাবে আদায় করতে হবে? হাঃ-১৬৯৪

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রাত্রের সালাত হল দু’রাকআত, দু’রাকআত। যখন তোমাদের কেউ ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত আদায় করে নেবে, যা (তার পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে দেবে।


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দৈহিক গঠন সম্পর্কে বাব->পানাহার সম্বন্ধীয় বিবিধ বর্ণনা হাঃ-১৬৭২

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সেনাবাহিনী সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় প্রেরণ করলেন। আবূ উবায়দা ইব্নুল জাররাহ (রা)-কে সে বাহিনীর নেতা বানালেন। সে বাহিনীতে তিন শত সৈনিক ছিল। আমিও (অর্থাৎ জাবির ইব্নু আবদুল্লাহ) সে দলে শামিল ছিলাম। পথিমধ্যে (আমাদের) আহার্য ফুরিয়ে গেল। আবূ উবায়দা (রা) যে পরিমাণ খাদ্য অবশিষ্ট আছে, উহা একত্র করার আদেশ দিলেন। অতএব তা একত্র করা হলে পর দেখা গেল যে, দুই বস্তা খেজুর মাত্র আছে। আবূ উবায়দা (রা) আমাদেরকে প্রতিদিন অল্প অল্প দিতেন। শেষ পর্যন্ত জনপ্রতি (মাত্র) একটি করে খেজুর পাওয়া যেতে লাগল। অতঃপর তাও নিঃশেষ হয়ে গেল। ওয়াহাব ইব্নু কায়সান (রা) বলেন, আমি জাবির (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, একটি করে খেজুরে কি হত ? (কিছুই তো হয় না)। তিনি বলেন, তাও যখন শেষ হয়ে গেল, তখন সেইটার কদর বুঝতে পারলাম। অতঃপর আমরা যখন সমুদ্র তীরে পৌঁছালাম, তখন সেখানে পাহাড়সম এক বিরাট মাছ পাওয়া গেল। গোটা বাহিনী আঠার দিন পর্যন্ত সেই মাছ খেল। অতঃপর আবূ উবায়দা সেই মাছের হাড় (কাঁটা) দাঁড় করাবার নির্দেশ দিলেন। পাঁজরের দুইটি হাড় মুখোমুখি করে দাঁড় করিয়ে রাখা হল। উহার নিচে দিয়ে উষ্ট্র চলে গেল, উষ্ট্রের গায়ে হাড় লাগল না। [১] (বুখারী ২৪৮৩, মুসলিম ১৯৩৫) ইমাম মালিক (র) বলেন, الظَّرِبُ অর্থ পাহাড়।