সহিহ মুসলিম অঃ->জুমু’আ বাব->জুমু‘আর সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি পাঠ করতেন হাঃ-১৯১৩

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ ঈদের সলাতে ও জুমু‘আর সলাতে “সাব্বিহিস্‌মা রব্বিকাল আ’লা-“ ও “হাল আতা-কা হাদীসুল গ-শিয়াহ্‌” সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঈদ ও জুমু‘আহ্‌ একই দিন হলেও তিনি উভয় সলাতে ঐ সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। (ই.ফা. ১৮৯৮, ই.সে. ১৯০৫)


সুনান নাসাঈ অঃ->জুমু’আ বাব->জুমু’আর সালাতে কিরাআতে নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনার পার্থক্য হাঃ-১৪২৪

নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু’আর সালাতে (আরবী) এবং (আরবী) পাঠ করতেন। আর কখনো কখনো ঈদ এবং জুমু’আ একত্রিত হয়ে যেত তখন ঈদ এবং জুমু’আর উভয় সালাতে ঐ দুই সূরা পড়তেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->উভয় ঈদের সালাত বাব->উভয় ঈদের সালাতে সূরা “سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى” এবং “هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ” তিলাওয়াত করা হাঃ-১৫৬৮

নু‘মান ইব্‌ন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উভয় ঈদ এবং জুমুআর সালাতে “সাব্বি হিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” এবং “হাল আতাকা হাদীছুল গাশিয়া” পাঠ করতেন। কখনো কখনো ঈদ এবং জুমুআ একই দিনে হয়ে যেত। তখনও তিনি উপরোক্ত সূরা দু’টি তিলাওয়াত করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->উভয় ঈদের সালাত বাব->দুই ঈদ একত্রিত হয়ে যাওয়া এবং দুই ঈদ পাওয়া হাঃ-১৫৯০

নু‘মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমুআ এবং ঈদের সালাতে “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” এবং “হাল আতাকা হাদীছুল গাশিয়াহ” পড়তেন আর যখন জুমুআ এবং ঈদ একই দিনে হয়ে যেত তখন জুমুআ এবং ঈদের সালাত উক্ত সূরা দু’টি দ্বারা আদায় করতেন।