আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ সালাতে সন্দেহ করে তখন সে যেন সন্দেহ ত্যাগ করে দৃঢ় বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। যখন সমাপ্তি সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস হয়ে যায় তখন বসা অবস্থায় দু'টি সিজদা করবে। যদি সে পাঁচ রাকাআত আদায় করে থাকে তা হলে এ দু'টি সিজদা তাঁর (ঐ পাঁচ রাকাআত) সালাতকে জোড় (দু'রাকাআত) বানিয়ে দেবে। আর যদি সে চার রাকাআত আদায় করে থাকে, তা হলে এ দু'সিজদা শয়তানের জন্য অপমানের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ সালাতে সন্দেহ করে তখন সে যেন সন্দেহ ত্যাগ করে দৃঢ় বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। যখন সমাপ্তি সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস হয়ে যায় তখন বসা অবস্থায় দু'টি সিজদা করবে। যদি সে পাঁচ রাকাআত আদায় করে থাকে তা হলে এ দু'টি সিজদা তাঁর (ঐ পাঁচ রাকাআত) সালাতকে জোড় (দু'রাকাআত) বানিয়ে দেবে। আর যদি সে চার রাকাআত আদায় করে থাকে, তা হলে এ দু'সিজদা শয়তানের জন্য অপমানের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ সালাতে সন্দেহ করে তখন সে যেন সন্দেহ ত্যাগ করে দৃঢ় বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। যখন সমাপ্তি সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস হয়ে যায় তখন বসা অবস্থায় দু'টি সিজদা করবে। যদি সে পাঁচ রাকাআত আদায় করে থাকে তা হলে এ দু'টি সিজদা তাঁর (ঐ পাঁচ রাকাআত) সালাতকে জোড় (দু'রাকাআত) বানিয়ে দেবে। আর যদি সে চার রাকাআত আদায় করে থাকে, তা হলে এ দু'সিজদা শয়তানের জন্য অপমানের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।