সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->রুকু’-সাজদায় যা বলতে হবে হাঃ-৯৭৭

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বিসানায় পেলাম না। আমি তাঁকে খোঁজ করতে লাগলাম। হঠাৎ আমার হাত তাঁর উভয় পায়ের তালুতে গিয়ে ঠেকল। তিনি সাজদায় ছিলেন এবং তাঁর পা দু’টো দাঁড় করানো ছিল। এ অবস্তায় তিনি বলেছেনঃ “আল্লাহুম্মা আ’উযু বিরিযা-কা মিন্‌ সাখাতিকা ওয়াবি মু’আ-ফা-তিকা মিন্‌ ‘উকুবাতিকা ওয়া আ’উযুবিকা মিনকা লা-উহ্‌সি সানা-আন্‌ ‘আলাইকা আন্‌তা কামা- আস্‌নাইতা ‘আল- নাফসিকা”।অর্থাৎ “হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে সন্তুষ্টির আশ্রয় চাই। তোমার শাস্তি থেকে তোমার শান্তি ও স্বস্তির আশ্রয় চাই। আমি তোমার নিকট তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি। তোমার প্রশংসার হিসাব করা আমার সম্ভব না। তুমি নিজে তোমার যেরূপ প্রশংসা বর্ণনা করেছ, তুমি ঠিক তদ্রূপ” (ই.ফা. ৯৭২, ই সে. ৯৮৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->রুকু’ ও সাজদাহয় যা পাঠ করবে হাঃ-৮৭৯

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিছানায় না পেয়ে তার খোঁজে মাসজিদে গিয়ে সেখানে তাঁকে সাজদাহ্রত দেখতে পেলাম। এ সময় তাঁর দু’ পায়ের পাতা খাড়া ছিল। তিনি এ দু‘আ পড়ছিলেনঃ “আউযু বিরিদাকা মিন্ সাখাতিকা ওয়া আ‘উযু বিমা‘আফাতিকা মিন ‘উকুবাতিকা ওয়া আ‘উযুবিকা মিনকা লা উহসী সানায়ান ‘আলাইকা আনতা কামা আসনাইতা ‘আলা নাফসিকা। সহীহঃ মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->বিতর নামাযের দু’আ হাঃ-৩৫৬৬

আলী ইবনু আবী ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বিতরের নামাযে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার খুশির জন্য তোমার অখুশি হতে আশ্রয় প্রার্থণা করি, তোমার ক্ষমা ও অনুকম্পার জন্য তোমার শাস্তি হতে আশ্রয় প্রার্থণা করি এবং তোমার সত্বা হতে তোমার কাছেই আশ্রয় প্রার্থণা করি। তোমার প্রশংসা করে আমি শেষ করতে পারি না, তুমি তেমনি যেমন তুমি নিজের প্রশংসা করেছ। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১১৭৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->কামভাব ব্যতীত কোন ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীকে স্পর্শ করলে উযূ না করা হাঃ-১৬৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিছানায় পাচ্ছিলাম না। তখন আমি আমার হাত দ্বারা তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। তখন আমার হাত তার পদযুগলের উপর পতিত হলো। তখন তাঁর পা খাড়া ছিল আর তিনি ছিলেন সিজদারত। তিনি বলছিলেনঃ “(হে আল্লাহ!) আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমার ক্রোধ হতে তোমার সন্তুষ্টির, তোমার শাস্তি থেকে তোমার ক্ষমার আর আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমা হতে। তোমার প্রশংসা করে আমি শেষ করতে পারব না, তুমি নিজে ঐরূপ, যেরূপ তুমি নিজের প্রশংসা করেছ। ”


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->অন্য প্রকার দোয়া হাঃ-১১৩০

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে না পেয়ে পরে তাঁকে সিজদারত অবস্থায় পেলাম; তাঁর পদদ্বয়ের আঙ্গুলসমূহ ছিল কিবলার দিকে। তাঁকে বলতে শুনলাম, (এইখানে একটি দোয়া আছে)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাতে দোয়া পড়া হাঃ-১৭৪৭

আলী ইব্‌ন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়াসসাল্লাম) তাঁর বিত্‌রের সালাতের শেষে বলতেনঃ (......আরবী.....)


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->বিবাহ বাব->মুহাল্লিল [১] -এর বিবাহ এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিবাহ হাঃ-১১০০

আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করেছে। কিন্তু সে তাকে স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বেই তালাক দিয়েছে। এই অবস্থাতে প্রথম স্বামীর জন্য তাকে পুনরায় বিবাহ করা বৈধ হবে কি? আয়িশা (রা) বললেন : না, তাকে স্পর্শ (সহবাস) না করা পর্যন্ত বৈধ হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)