উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাক’আত এবং পরে চার রাক’আত নামায আদায় করবে আল্লাহ তা’আলা তার প্রতি জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১১৬০)।
ইয়াযীদ ইব্ন মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মীণী উম্মে হাবীবা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) এবং ফরযের পর চার রাকআত (দু’রাকআত সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা এবং দু’রাকআত মুস্তাহাব) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তার গোশত (শরীর) জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেবেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মে হাবীবা (রাঃ) বলেন, এ সন্মন্ধে শুনার পর থেকে আমি সে চার রাকআত সালাত ছাড়িনি।
উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, যে ব্যক্তি জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) এবং ফরযের পরে চার রাকআত (দু’রাকআত সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা এবং দু’রাকআত মুস্তাহাব) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেবেন।
মুহাম্মদ ইব্ন আবূ সুফিয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন তাঁর মৃত্যুর সময় নিকটবর্তী হয়ে গেল এবং অস্থিরতা বেড়ে গেল তখন তিনি বললেন, আমার কাছে আমার বোন উম্মে হাবীবা বিনত আবূ সুফিয়ান (রাঃ) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) এবং ফরযের পর চার রাকআত (দু’রাকআত সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা এবং দু’রাকআত মুস্তাহাব) সালাত আদায়ে অভ্যস্ত হবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেবেন।
উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) এবং ফরযের পর চার রাকআত (দু’রাকআত সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা এবং দু’রাকআত মুস্তাহাব) সালাত আদায় করবে, তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করতে পারবে না।