‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,আমি মাক্কার কোন একটি পথে ‘আসিম ইবনু ‘উমার-এর সাথে চলছিলাম। এ সময় তিনি আমাদের সাথে করে যুহরের সলাত আদায় করলেন এবং মাত্র দু’ রাক‘আত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাঁর কাফিলার মধ্যে ফিরে আসলেন। আমরাও তাঁর সাথে ফিরে আসলাম। তিনি সেখানে বসে পড়লে আমরাও তাঁর সাথে বসে পড়লাম। এ সময় যে স্থানে তিনি সলাত আদায় করেছিলেন সে স্থানে তাঁর দৃষ্টি পড়লে কিছু সংখ্যক লোককে সেখানে দাঁড়ানো দেখতে পেয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এরা ওখানে কী করছে? আমি বললাম, তারা সুন্নাত পড়ছে। তিনি এ কথা শুনে বললেনঃ ভাতিজা, আমাদেরকে যদি সুন্নাত আদায় করতে হ’ত তাহলে আমি ফরয সলাত ও পূর্ণ আদায় করতাম। আমি সফরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে থেকে দেখেছি আমৃত্যু তিনি দু’ রাক’আতের অধিক আদায় করেননি। আমি সফরে আবূ বাক্রের সাথে থেকে দেখেছি আল্লাহ তাকে ওফাত দান না করা পর্যন্ত তিনি দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করেছেন। আমি সফরে ‘উমারের সাথে দেখেছি তিনি দু’রাক‘আত সলাতই আদায় করেছেন। মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “আল্লাহর রসূলের জীবনে তোমাদের অনুসরনের উত্তম নমুনা রয়েছে”-(সূরাহ আল আহ্যাব ৩৩ : ২১)। (ই.ফা. ১৪৪৯,ই.সে ১৪৫৮)
ঈসা ইব্ন হাফ্স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি বলেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আমি এক সফরে ইব্ন উমর (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। তিনি জোহর এবং আসরে দু’রাকআত করে আদায় করলেন। তারপর তিনি তার বিছানায় ফিরে গেলেন। তখন তিনি দেখলেন যে, মুসল্লীরা তাসবীহ পড়া আরম্ভ করে দিয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এরা কি করছে? আমি বললাম, তাঁরা তাসবীহ পড়ছে। তিনি বললেন, যদি আমি এই দু’রাকআত ফরযের পূর্বে বা পরে নফল সালাত আদায় করতাম তাহলে এই দু’ রাকআত ফরযকে পূর্ন চার রাকআত আদায় করতাম। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে অবস্থান করেছি, তিনি সফরে দু’রাকআতের বেশী আদায় করতেন না। আমি আবূ বকর (রাঃ) উমর (রাঃ) ও উসমান (রাঃ)-এরও সাহচর্য লাভ করেছি। তাঁরাও মৃত্যু অবধি অনুরূপ করতেন।