সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ বাব->সালাতে মহিলাদের ‘তাসফীক’ (হাত তালি দেয়া)। হাঃ-১২০৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ (ইমামের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য) পুরুষদের বেলায় তাস্‌বীহ্‌-সুবহানাল্লাহ্‌ বলা। তবে মহিলাদের বেলায় ‘তাসফীক’ (এক হাতের তালু দিয়ে অন্য হাতের তালুতে মারা)।


সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ বাব->সালাতে মহিলাদের ‘তাসফীক’ (হাত তালি দেয়া)। হাঃ-১২০৪

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সালাতে (লোকমা দেয়ার জন্য) পুরুষদের জন্য ‘তাস্‌বীহ্‌’ আর মহিলাদের জন্য তাসফীক।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->সলাত আদায়রত ইমামকে কোন ব্যাপারে সতর্ক করতে হলে পুরুষ মুসল্লীরা 'সুবহানাল্ল-হ' বলবে এবং মহিলা মুসল্লীরা হাততালি দিবে হাঃ-৮৪০

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুরুষদের জন্য তাসবীহ্‌ এবং মহিলাদের জন্য তাসফীক্‌ (হাততালি)। হারমালাহ্‌ তার বর্ণনায় আরো বলেছেন, ইবনু শিহাব বলেছেন, আমি কিছু সংখ্যক বিশেষজ্ঞ 'আলিমকে দেখেছি তারা তাসবীহ্‌ বলতেন এবং ইশারা করতেন। (ই.ফা. ৮৩৬, ই.সে. ৮৪৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->সালাতরত অবস্থায় হাততালি দেয়া হাঃ-৯৩৯

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (সালাত আদায়কালে ইমামের কোন ভূল পরিলক্ষিত হলে) পুরুষ (মুক্তাদীরা) সুবহানআল্লাহ বলবে আর নারী (মুক্তাদীরা) হাতের উপর হাত মেরে শব্দ করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সলাতে পুরুষদের জন্য তাসবীহ এবং নারীদের জন্য হাততালি। হাঃ-১০৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পুরুষদের জন্য তাসবীহ এবং নারীদের জন্য হাততালি। [১০৩৪]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->পুরুষদের সুবহানাল্লাহ বলা ও নারীদের হাততালি দেয়া হাঃ-৩৬৯

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ (ইমাম যখন নামাযে ভুল করে তাকে সতর্ক করার জন্য) পুরুষ মুক্তাদীগণ সুবহানাল্লাহ বলবে এবং স্ত্রীলোকেরা ‘হাততালি’ দিবে। সহীহ। ইবনু মাজাহ-(১০৩৪-১০৩৬), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে হাতে তালি দেওয়া হাঃ-১২০৮

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়া পুরুষদের জন্য আর হাতে তালি দেওয়া নারীদের জন্য।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে তাসবীহ পড়া হাঃ-১২০৯

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তাসবীহ পুরুষদের জন্য আর হাতে তালি দেওয়া নারীদের জন্য।


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->তালাক অধ্যায় বাব->তালাকের ইদ্দত সম্পর্কীয় বিবিধ বর্ণনা হাঃ-১২১০

সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

মুসতাহাজা (রোগের কারণে যার অনিয়মিত স্রাব হয়) ঐ নারীর ইদ্দত হচ্ছে এক বৎসর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোক সম্পর্কে আমাদের মাস’আলা হল, এই তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর যেই স্ত্রীলোকের রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, সে নয় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এই নয় মাসের মধ্যে ঋতুস্রাব না হলে তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তিন মাস পূর্ণ করার পূর্বে যদি ঋতুস্রাব হয় তবে পুনরায় হায়য-এর ইদ্দত পালন শুরু করবে। কিন্তু যদি হায়য আসার পূর্বে নয় মাস পূর্ণ হয়ে যায় তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তৃতীয় মাসে উপনীত হয়েছে এমন অবস্থায় যদি ঋতুস্রাব হয় তবে সে ইদ্দতের সময় পূর্ণ করেছে। অন্য পক্ষে যদি তার ঋতুস্রাব না হয় তবে তিনমাস ইদ্দত পূর্ণ করবে। তারপর অন্য স্বামীর রুজূ করার অধিকার থাকবে, কিন্তু যদি সে বায়েন তালাক দিয়ে থাকে তবে আর রুজূ করতে পারবে না। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট সুন্নাত (নিয়ম হল) এই যে, যদি কোন কোন লোক তার স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার (রুজূ’ করা) ইখতিয়ারও তার থাকে, এমতাবস্থায় স্ত্রী কিছু ইদ্দত পালন করেছে। অতঃপর স্বামী তার প্রতি রুজূ’ করেছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে পুনরায় তালাক দিয়েছে। তবে সেই স্ত্রী ইদ্দতের যা অতীত হয়েছে উহার উপর ভিত্তি করবে না বরং সে তাকে (দ্বিতীয়বার) তালাক দেওয়ার দিন হতে নূতনভাবে ইদ্দত পালন করবে, তার স্বামী এইরূপ করে নিজের ক্ষতি করেছে এবং তার আবশ্যক না থাকলে স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করে সে ভুল করেছেন। মালিক (র) বলেন : স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে তার স্বামী (তখনও) কাফের। তারপর স্বামীও ইসলাম গ্রহণ করল, তবে আমাদের নিকট ফয়সালা হচ্ছে এই : ইদ্দতে থাকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তার স্বামী তার হকদার হবে, আর যদি ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তবে তার জন্য স্ত্রীকে পাওয়ার কোন পথ নেই। আর যদি ইদ্দত সমাপ্তির পর তাকে বিবাহ করে তবে পূর্বে প্রদত্ত তালাক তালাক বলে গণ্য হবে না। এই ঘটনায় স্ত্রীকে বিচ্ছেদ করিয়েছে ইসলাম গ্রহণ, তালাক নয়।