সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ বাব->সালাতে মহিলাদের ‘তাসফীক’ (হাত তালি দেয়া)। হাঃ-১২০৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ (ইমামের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য) পুরুষদের বেলায় তাস্‌বীহ্‌-সুবহানাল্লাহ্‌ বলা। তবে মহিলাদের বেলায় ‘তাসফীক’ (এক হাতের তালু দিয়ে অন্য হাতের তালুতে মারা)।


সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ বাব->সালাতে মহিলাদের ‘তাসফীক’ (হাত তালি দেয়া)। হাঃ-১২০৪

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সালাতে (লোকমা দেয়ার জন্য) পুরুষদের জন্য ‘তাস্‌বীহ্‌’ আর মহিলাদের জন্য তাসফীক।


সহিহ বুখারী অঃ->বিবাদ মিমাংসা বাব->মানুষের মধ্যে আপোস-মীমাংসা করে দেয়া। হাঃ-২৬৯০

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আম্‌র ইব্‌নু ‘আউফ গোত্রের কিছু লোকের মধ্যে সামান্য বিবাদ ছিল। তাই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণের একটি জামা‘আত নিয়ে তাদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করে দেয়ার জন্য সেখানে গেলেন। এদিকে সালাতের সময় হয়ে গেল। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে নাবাবীতে এসে পৌছেননি ৷ বিলাল (রাঃ) আবু বক্‌র (রাঃ)-এর নিকট এসে বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে সালাতেরও সময় হয়ে গেছে। আপনি কি সালাতে লোকদের ইমামতি করবেন? তিনি বললেন, ‘হ্যা, তুমি যদি ইচ্ছা কর।’অতঃপর বিলাল (রাঃ) সালাতের ইকামত বললেন, আর আবূ বকর (রাঃ) এগিয়ে গেলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এলেন এবং কাতারগুলো অতিক্রম করে প্রথম কাতারে এসে দাঁড়ালেন। (তা দেখে) লোকেরা হাততালি দিতে শুরু করল এবং তা অধিক মাত্রায় দিতে লাগল। আবূ বকর (রাঃ) সালাত অবস্থায় কোন দিকে তাকাতেন না, কিন্তু (হাততালির কারণে) তিনি তাকিয়ে দেখতে পেলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পেছনে দাঁড়িয়েছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে হাতের ইশারায় আগের মত সালাত আদায় করে যেতে নির্দেশ দিলেন। আবু বক্‌র (রাঃ) তাঁর দু’হাত উপরে তুলে আল্লাহ্‌র হামদ বর্ণনা করলেন। অতঃপর কিবলার দিকে মুখ রেখে পেছনে ফিরে এসে কাতারে সামিল হলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগে বেড়ে লোকদের ইমামতি করলেন এবং সালাত সমাপ্ত করে লোকদের দিকে ফিরে বললেন ‘হে লোক সকল! সালাত অবস্থায় তোমাদের কিছু ঘটলে তোমরা হাত তালি দিতে শুরু কর। অথচ হাততালি দেয়া মেয়েদের কাজ। সালাত অবস্থায় কারো কিছু ঘটলে সে যেন ‘সুবহানআল্লাহ্‌’ ‘সুবহানআল্লাহ্‌’ বলে। কেননা, এটা শুনলে কেউ তার দিকে দৃষ্টিপাত না করে পারতো না। ‘হে আবূ বক্‌র! তোমাকে যখন ইশারা করলাম, তখন সালাত আদায় করাতে তোমার কিসের বাধা ছিল? ’তিনি বলেন, ‘আবূ কুহাফার পূত্রের জন্য শোভা পায় না নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে ইমামতি করা।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->সলাত আদায়রত ইমামকে কোন ব্যাপারে সতর্ক করতে হলে পুরুষ মুসল্লীরা 'সুবহানাল্ল-হ' বলবে এবং মহিলা মুসল্লীরা হাততালি দিবে হাঃ-৮৪০

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুরুষদের জন্য তাসবীহ্‌ এবং মহিলাদের জন্য তাসফীক্‌ (হাততালি)। হারমালাহ্‌ তার বর্ণনায় আরো বলেছেন, ইবনু শিহাব বলেছেন, আমি কিছু সংখ্যক বিশেষজ্ঞ 'আলিমকে দেখেছি তারা তাসবীহ্‌ বলতেন এবং ইশারা করতেন। (ই.ফা. ৮৩৬, ই.সে. ৮৪৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে হাতে তালি দেওয়া হাঃ-১২০৮

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়া পুরুষদের জন্য আর হাতে তালি দেওয়া নারীদের জন্য।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে তাসবীহ পড়া হাঃ-১২০৯

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তাসবীহ পুরুষদের জন্য আর হাতে তালি দেওয়া নারীদের জন্য।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে তাসবীহ পড়া হাঃ-১২১০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তাসবীহ পুরুষদের জন্য আর হাতে তালি দেওয়া নারীদের জন্য।