সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->রুকূ‘তে দু‘আ । হাঃ-৭৯৪

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ‘ ও সিজদায় এ দু‘আ পড়তেন- ‘سُبحاَنَكَ اللَّهُمَّ رَبّاَناَ وَبِحَمدِكَ اللَهُمَّ إِغفِرليِ’ “হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ্‌! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন”।[১]


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সিজদায় তাসবীহ্‌ ও দু’আ পাঠ । হাঃ-৮১৭

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রুকূ‘ ও সিজদায় অধিক পরিমাণে 'سُبحانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّناَ وَبِحَمدِكَ اللَّهُمَّ اغفِرلي ' “হে আল্লাহ্‌! হে আমাদের রব! আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করুন” পাঠ করতেন। এতে তিনি পবিত্র কুরআনের নির্দেশ পালন করতেন। [১]


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->পরিচ্ছেদ নেই হাঃ-৪২৯৩

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সলাতের রুকূ ও সাজদাহ্‌য় পড়তেন, সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকাল্লাহুম্মা গফির লী অর্থাৎ অতি পবিত্র। হে আল্লাহ! হে আমাদের প্রভু! আমি তোমারই প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করে দাও। [৭৯৪] (আ.প্র. নাই, ই.ফা. ৩৯৬০)


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->পরিচ্ছেদ নাই। হাঃ-৪৯৬৮

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সূরাহ নাস্র অবতীর্ণ হবার পর রসূল سُبْحَانَكَ اللهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللهُمَّ اغْفِرْ لِي (হে আল্লাহ্! তুমি পবিত্র, তুমিই আমার রব, সমস্ত প্রশংসা তোমারই জন্য নির্দিষ্ট। তুমি আমাকে করে দাও।) দু‘আটি রুকূ-সাজদাহ্র মধ্যে অধিক অধিক পাঠ করতেন। [৭৯৪] (আ.প্র. ৪৫৯৯, ই.ফা. ৪৬০৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->রুকু’-সাজদায় যা বলতে হবে হাঃ-৯৭২

’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু’-সাজদায় এ দু‘আ অধিক পরিমানে পাঠ করতেনঃ “সুবহা-নাকা আল্ল-হুম্মা রব্বানা- ওয়াবি হামদিকা আল্ল-হুম্মাগ্ ফিরলী।”অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! আমার প্রতিপালক। তোমার প্রশংসার সাথে পবিত্রতা ঘোষনা করছি। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।“ তিনি কুরআনের উপর ‘আমাল করতেন। (ই.ফা. ৯৬৭, ই.সে. ৯৭৮) ১০৫


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->রুকূ’র অন্য প্রকার দোয়া হাঃ-১০৪৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময় রুকূ এবং সিজদায় বলতেনঃ (আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সিজদায় অন্য প্রকার দোয়া হাঃ-১১২২

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ এবং সিজদায় বলতেন, (এইখানে একটি দোয়া আছে) এর দ্বারা তিনি কুরআনের মর্ম বর্ণনা করতেন।১


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সিজদায় অন্য প্রকার দোয়া হাঃ-১১২৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ এবং সিজদায় বলতেন, (এইখানে একটি দোয়া আছে) মাধ্যমে তিনি কুরআনের মর্ম বর্ণনা করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->অন্য প্রকার দোয়া হাঃ-১১৩১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে না পেয়ে মনে করলাম তিনি তাঁর অন্য কোন বিবির নিকট গিয়ে থাকবেন। হাতড়িয়ে দেখলাম তিনি রুকু অথবা সিজদা অবস্থায় বলছেনঃ (আরবী) তখন আমি বললাম, আমার মাতা-পিতা আপনার উপর উৎসর্গ হোক। আমি এক অবস্থায় ছিলাম আর আপনি আছেন অন্য অবস্থায়।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রুকূ’ ও সিজদার তাসবীহ। হাঃ-৮৮৯

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রুকূ’ ও সিজদায় প্রায়ই বলতেনঃ “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, আল্লাহুম্মাগফির লী” (হে আল্লাহ! আমি তোমার প্রশংসা সহকারে তোমার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, হে আল্লাহ! তুমি আমায় ক্ষমা করো)। তিনি কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী তা করতেন। [৮৮৭]