’আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মৃত্যুশয্যায় থাকাকালিন সময়ে) হুজরার পর্দা তুলে দিলেন। লোকেরা এ সময় আবূ বাকরের পিছনে সলাতের কাতারে দাঁড়ানো ছিল। তিনি বললেন, হে লোক সকল! আর নবুয়তের ধারা অবশিষ্ট থাকবেনা। তবে মুসলিমরা সত্যস্বপ্ন দেখবে অথবা তাদেরকে দেখানো হবে। সাবধান! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকু’ বা সাজদারত অবস্থায় কুরআন পাঠ না করি। তোমরা রুকু’ অবস্থায় মহান প্রভুর শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ব বর্ননা করবে এবং সাজদারত অবস্থায় অধিক দু’আ পড়ার চেষ্টা করবে, কেননা তোমাদের দু’আ কবুল হওয়ার উপযোগী। হাদীসটি আবূ বাক্র (রহঃ) (আরবী) বলে রিয়াওয়াত করেছেন। (ই.ফা. ৯৫৬, ই.সে. ৯৬৭)
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্দা উন্মোচন করলেন, তখন লোক আবু বকর (রাঃ)- এর পেছনে কাতারে দাঁড়ানো ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে লোক সকল! নবুয়তের সুসংবাদ আর অবশিষ্ট থাকবে না, নেক সপ্ন ব্যতিত যা মুসলমান দেখবে এবং তাঁকে দেখানো হবে। এরপর তিনি বললেন, তোমরা শুনে রেখ ! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে রুকু অবস্থায় কিরাআত থেকে এবং সিজদা অবস্থায়। রুকুতে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা বর্ণনা কর। আর সিজদায় তোমরা দোয়া করতে চেষ্টা কর। তোমাদের জন্য দোয়া কবুল হওয়ার উপযুক্ত সময় এটাই।
আবদুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে অসুখে ইনতিকাল করেন, সে অসুস্থ অবস্থায় তিনি পর্দা খুললেন, তখন তার মাথার পট্টি বাঁধা ছিল। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমি পৌঁছিয়েছি, একথা তিনবার বললেন। বস্তুত যথার্থ স্বপ্ন ব্যতীত নবুওতের সুসংবাদ থেকে আর কিছুই বাকি রইল না। বান্দা তা দেখে অথবা তাকে তা দেখানো হয়। তোমরা শুনে রেখ ; আমাকে রুকূ এবং সিজদায় কিরাআত থেকে নিষেধ করা হয়েছে। অতএব, যখন তোমারা রুকূ করবে তখন তোমাদের রবের তা’যীম করবে। আর যখন তোমারা সিজদা করবে তখন তোমারা বেশি বেশি দোয়া করার চেষ্টা করবে। কেননা, এটা তোমাদের দোয়া কবুলের উপযুক্ত সময়।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রোগগ্রস্থ অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্দা তুলে দেখলেন, লোকেরা সারিবদ্ধভাবে আবূ বকর (রাঃ)-এর পেছনে আছে। তিনি বললেনঃ হে লোকসকল! মুসলিম ব্যক্তি যে ভালো স্বপ্ন দেখে অথবা তাকে যে ভালো স্বপ্ন দেখানো হয়, তা ব্যতিত নবুওয়াতের সুসংবাদের কিছুই অবশিষ্ট নাই। [৩২৩১]