সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->তাহলীল (‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলা), তাসবীহ্ (‘সুবহা-নাল্লা-হ’ বলা) ও দু‘আর ফাযীলাত হাঃ-৬৭৪২

আবূ মালিক আল আশজা‘ঈ (রহঃ) তাঁর পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন লোক ইসলাম কবূল করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এ দু‘আ বলতে শিখিয়ে দিতেন, “আল্ল-হুম্মাগ্ ফিরলী ওয়ার্হাম্নী ওয়াহ্দিনী ওয়ার্যুক্নী”। অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন। (ই.ফা. ৬৬০৪, ই.সে. ৬৬৫৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->তাহলীল (‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলা), তাসবীহ্ (‘সুবহা-নাল্লা-হ’ বলা) ও দু‘আর ফাযীলাত হাঃ-৬৭৪৩

আবূ মালিক আল আশজা‘ঈ-এর পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন কোন ব্যক্তি ইসলামে দীক্ষা গ্রহণ করত তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে প্রথমে সলাত আদায়ের শিক্ষা দিতেন। তারপর তিনি তাকে এ কালিমাসমূহ পাঠ করার নির্দেশ দিতেন, “আল্ল-হুম্মাগ্ ফির্লী ওয়ার্হাম্নী ওয়াহ্দিনী ওয়া‘আ-ফিনী ওয়ার্যুক্নী।” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন এবং আমার জীবিকা উপকরণ দান করুন।” (ই.ফা. ৬৬০৫, ই.সে. ৬৬৫৮)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার পর যিক্‌র হাঃ-১৬১৭

আসিম ইব্‌ন হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার পর কি যিক্‌র করতেন? তিনি বললেন, তুমি আজ আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছ, যে বিষয়ে তোমার পূর্বে অন্য কেউ আমাকে প্রশ্ন করেনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশবার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) দশবার তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) দশবার তাসবীহ (সুবাহানাল্লাহ) দশবার তাহলীল (লা-ইলাহা ইলাল্লাহ্) এবং দশবার ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়তেন, আর বলতেন- (.......আরবি........)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার পর যিক্‌র হাঃ-১৬১৭

আসিম ইব্‌ন হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার পর কি যিক্‌র করতেন? তিনি বললেন, তুমি আজ আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছ, যে বিষয়ে তোমার পূর্বে অন্য কেউ আমাকে প্রশ্ন করেনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশবার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) দশবার তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) দশবার তাসবীহ (সুবাহানাল্লাহ) দশবার তাহলীল (লা-ইলাহা ইলাল্লাহ্) এবং দশবার ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়তেন, আর বলতেন- (.......আরবি........)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার পর যিক্‌র হাঃ-১৬১৭

আসিম ইব্‌ন হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার পর কি যিক্‌র করতেন? তিনি বললেন, তুমি আজ আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছ, যে বিষয়ে তোমার পূর্বে অন্য কেউ আমাকে প্রশ্ন করেনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশবার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) দশবার তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) দশবার তাসবীহ (সুবাহানাল্লাহ) দশবার তাহলীল (লা-ইলাহা ইলাল্লাহ্) এবং দশবার ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়তেন, আর বলতেন- (.......আরবি........)


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->কিয়ামত দিবসের সংকীর্ণাবস্থা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৫৩৫

আসিম ইব্‌ন হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ) -কে জিজ্ঞাসা করলামঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের নামায কি দিয়ে আরম্ভ করতেন? তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে এমন প্রশ্ন করেছ, যে সম্পর্কে আমাকে কেউই জিজ্ঞাসা করেনি। তিনি দশবার তাকবীর বলতেন, দশবার সুবহানাল্লাহ্ বলতেন, দশবার ইস্তিগফার করতেন। পরে বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে পথ প্রদর্শন করুন, আমাকে রিযিক দান করুন, আমাকে নিরাপদ রাখুন, আর তিনি কিয়ামত দিবসের সংকীর্ণাবস্থা হতে আশ্রয় চাইতেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->দু’ সাজাদাহর মাঝখানে দু‘আ হাঃ-৮৫০

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ সাজদাহ্র মাঝে এ দু‘আ পড়তেনঃ “আল্লাহুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়া ‘আফিনী, ওয়াহদিনী, ওয়ারযুক্বনী”।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->কোন ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতে উঠে যে দুআ’ পড়বে। হাঃ-১৩৫৬

আসিম বিন হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে সালাত আদায় করতে উঠে প্রথমে কি পড়তেন? তিনি বলেন, তুমি আমার নিকট যে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো, তোমার আগে সে সম্পর্কে আমাকে আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। তিনি দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদু লিল্লাহ, দশবার সুবহানাল্লাহ ও দশবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং বলতেন : “হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করো, আমাকে হিদায়াত দান করো, আমাকে রিযিক দাও এবং আমাকে নিরাপত্তা দান করো”। তিনি কিয়ামাত দিবসের ভয়াবহ অবস্থা থেকেও আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। [১৩৫৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->কোন ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতে উঠে যে দুআ’ পড়বে। হাঃ-১৩৫৬

আসিম বিন হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে সালাত আদায় করতে উঠে প্রথমে কি পড়তেন? তিনি বলেন, তুমি আমার নিকট যে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো, তোমার আগে সে সম্পর্কে আমাকে আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। তিনি দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদু লিল্লাহ, দশবার সুবহানাল্লাহ ও দশবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং বলতেন : “হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করো, আমাকে হিদায়াত দান করো, আমাকে রিযিক দাও এবং আমাকে নিরাপত্তা দান করো”। তিনি কিয়ামাত দিবসের ভয়াবহ অবস্থা থেকেও আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। [১৩৫৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->কোন ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতে উঠে যে দুআ’ পড়বে। হাঃ-১৩৫৬

আসিম বিন হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে সালাত আদায় করতে উঠে প্রথমে কি পড়তেন? তিনি বলেন, তুমি আমার নিকট যে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো, তোমার আগে সে সম্পর্কে আমাকে আর কেউ জিজ্ঞেস করেনি। তিনি দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদু লিল্লাহ, দশবার সুবহানাল্লাহ ও দশবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং বলতেন : “হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করো, আমাকে হিদায়াত দান করো, আমাকে রিযিক দাও এবং আমাকে নিরাপত্তা দান করো”। তিনি কিয়ামাত দিবসের ভয়াবহ অবস্থা থেকেও আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। [১৩৫৬]