সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালীণ সলাতে দু‘আ ও ক্বিয়াম হাঃ-১৬৮৪

আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন রাতে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুম থেকে জেগে উঠে মিসওয়াক ও ওযূ করলেন। এ সময় তিনি (কুরআন মাজীদের এ আয়াতগুলো) পড়ছিলেন : (আরবি) “আসমান ও জমিনের সৃষ্টি কৌশলে এবং রাত ও দিনের পালাক্রমে আগমন নির্গমনে সুধী ও জ্ঞানীজনদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে”- (সূরাহ্‌ আলি ইমরান ৩ : ১৯০)। এভাবে তিনি সূরার শেষ পর্যন্ত পড়লেন। এরপর উঠে দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। এতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিয়াম, রুকু ও সিজদাহ্ দীর্ঘায়িত করলেন এবং শেষ করে ঘুমিয়ে পড়লেন। এমনকি নাক ডেকে ঘুমালেন। তিনবার তিনি এরূপ করলেন এবং এভাবে তিনি ছয় রাক‘আত সলাত আদায় করলেন প্রত্যেক বার তিনি মিসওয়াক করলেন, ওযূ করলেন এবং এ আয়াতগুলো পড়লেন। সর্বশেষে তিন রাক‘আত বিত্‌র পড়লেন। অতঃপর মুয়ায্‌যিন আযান দিলে তিনি সলাতের জন্য (মাসজিদে ) চলে গেলেন। তখন তিনি এ বলে দুআ করেছিলেন: “আল্ল-হুম্মআজ্’আল ফী ক্বলবী নূরাওঁ ওয়াফী লিসা-নী নূরাওঁ ওয়াজ’আল ফী সাম’ঈ নূরাওঁ ওয়াজ্‌’আল ফী বাসারী নূরাওঁ ওয়াজ্‌’আল মিন খলফী নূরাওঁ ওয়ামিন আমা-মী নূরাওঁ ওয়াজ্‌’আল মিন ফাওক্বী নূরাওঁ ওয়ামিন তাহ্‌তী নূরান্‌, আল্ল-হুম্মা আ’ত্বিনী নূরা-” অর্থাৎ হে আল্লাহ আমার হৃদয় মনে আলো (নূর) সৃষ্টি করে দাও, আমার দৃষ্টিশক্তিতে আলো সৃষ্টি করে দাও, আমার পিছন দিকে আলো সৃষ্টি করে দাও, আমার সামনের দিকে আলো সৃষ্টি করে দাও , আমার উপর দিক থেকে আলো সৃষ্টি করে দাও এবং আমার নীচের দিক থেকেও আলো সৃষ্টি করে দাও। হে আল্লাহ ! আমাকে নূর বা আলো দান কর।) (ই.ফা. ১৬৬৯, ই.সে. ১৬৭৬)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাত সম্বন্ধে উবাই ইব্‌ন কা‘ব (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য হাঃ-১৭০৫

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একরাত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট ছিলাম। তিনি নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে ঊযূ এবং মিসওয়াক করলেন এবং (.......আরবী......) পর্যন্ত পাঠ করলেন। তারপর দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। এবং বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লেন, আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। তারপর জাগ্রত হয়ে ঊযূ ও মিসওয়াক করলেন এবং দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। পুনরায় শুয়ে পড়লেন। আবার জাগ্রত হয়ে ঊযূ ও মিসওয়াক করলেন। তারপর দু’রাকআত সালাত আদায় করে তিন রাকআত বিত্‌র আদায় করলেন।