সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->আযানের সূচনা । হাঃ-৬০৪

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) বলতেন যে, মুসলমানগণ যখন মদীনায় আগমন করেন, তখন তাঁরা সালাতের সময় অনুমান করে সমবেত হতেন। এর জন্য কোন ঘোষণা দেয়া হতো না। একদা তাঁরা এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। কয়েকজন সাহাবী বললেন, নাসারাদের ন্যায় নাকূস বাজানোর ব্যবস্থা করা হোক। আর কয়েকজন বললেন, ইয়াহূদীদের শিঙ্গার ন্যায় শিঙ্গা ফোঁকানোর ব্যবস্থা করা হোক। ‘উমর (রাঃ) বললেন, সালাতের ঘোষণা দেয়ার জন্য তোমরা কি একজন লোক পাঠাতে পার না? তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে বিলাল, উঠ এবং সালাতের জন্য ঘোষণা দাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->আযানের সূচনা হাঃ-৭২৩

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুসলিমরা মাদীনায় আসার পর একত্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে সলাত আদায় করতেন। এজন্যে কেউ আযান দিত না। একদিন ব্যাপারটি নিয়ে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকূসের একটি অনুরূপ একটি নাকূস (ঘন্টা) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইয়াহূদীদের শিঙ্গার অনুরূপ একটি শিঙ্গা ব্যবহার করে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমরা সলাতের জন্য ডাকতে একটি লোক পাঠাও না কেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বিলাল! উঠো এবং সলাতের জন্যে ডাক। (ই. ফা. ৭২১, ই. সে. ৭৩৬)


সুনান নাসাঈ অঃ->আযান বাব->আযানের সূচনা হাঃ-৬২৬

আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : মুসলিমগণ যখন মদীনায় আগমন করেন, তারা একত্র হয়ে সালাতের সময় নির্ধারণ করে নিতেন, কিন্তু কেউ সালাতের জন্য আহবান করতেন না। তাই একদিন তাঁরা এ ব্যাপারে আলোচনায় বসলেন। কেউ কেউ বললেন : নাসারাদের ঘন্টার মত ঘন্টা ব্যবহার করুন। আর কেউ কেউ বললেন : বরং ইয়াহূদীদের শিংগার মত শিংগা ব্যবহার করা হোক। উমর (রাঃ) বললেন : আপনারা কি একজন লোক পাঠাতে পারেন না, যে সালাতের আহবান জানাবে? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : হে বিলাল, উঠ এবং সালাতের আহবান জানাও।