সহিহ বুখারী অঃ->জুমু'আ বাব->খুত্‌বায় আল্লাহ্‌র হাম্‌দের পর ‘আম্‌মা বা‘দু’ বলা। হাঃ-৯২৬

মিসওয়ার ইবনু মাখ্‌রামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন। অতঃপর আমি তাঁকে তাওহীদের সাক্ষ্য বাণী পাঠান্তে বলতে শুনলাম, ‘আম্‌মা বা’দ’।


সহিহ বুখারী অঃ->সূর্যগ্রহণ বাব->সুর্যগ্রহনের খুত্‌বায় ইমামের “আমমা-বাদু” বলা। হাঃ-১০৬১

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত শেষ করলেন আর এদিকে সূর্যগ্রহণ মুক্ত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি খুত্‌বা দিলেন। এতে তিনি প্রথমে আল্লাহ্‌র যথাযথ প্রশংসা করলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ ‘আম্‌মা বা’দ’।


সহিহ মুসলিম অঃ->দাসমুক্তি বাব->প্রকৃতপক্ষে মুক্তিদাতা পাবে মুক্তদাসের ওয়ালা পরিত্যক্ত সম্পদ হাঃ-৩৬৭২

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ একই সনাদে বর্ণিত আছে। তবে জারীর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে- "তিনি বলেন, তার (বারীরার) স্বামী ছিল ক্রীতদাস। সে কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইচ্ছার স্বাধীনতা দান করেছিলেন। (যখন সে মুক্ত হবে তখন ক্রীতদাস স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রাখতে কিংবা তা নাকচ করে দিতে পারবে- এ ইখ্তিয়ার তাকে দেয়া হয়েছিল)। সে নিজের স্বার্থটাকেই সমর্থন করল (ক্রীতদাস স্বামীকে পছন্দ করল না)। যদি সে স্বাধীন হত তাহলে তিনি (রসূলুল্লাহ সাঃ) তাকে (বারীরাকে) ইখতিয়ার দিতেন না।” আর তাদের বর্ণিত হাদীসে (আরবি) (অতঃপর) শব্দটির উল্লেখ নেই। (ই.ফা ৩৬৩৮, ই.সে. ৩৬৩৮)


সুনান নাসাঈ অঃ->সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ বাব->গ্রহণকালীন (সালাতের পর) খুৎবার প্রকার হাঃ-১৫০১

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুৎবা দিলেন যখন সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। খুৎবাতে তিনি হাম্‌দ ও ছানার পর বললেন : أَمَّا بَعْدُ