সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->...... যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট দ্ব্যর্থহীন। হাঃ-৪৫৪৭

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আয়াতটি هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ ............ إِلاَّ أُولُو الأَلْبَابِ “তিনিই তোমার প্রতি এ কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন। এগুলো কিতাবের মূল অংশ; আর অন্যগুলো রূপক; যাদের অন্তরে সত্য-লঙ্ঘন প্রবণতা রয়েছে শুধু তারাই ফিতনা এবং ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশে যা রূপক তার অনুসরণ করে। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তাঁরা বলেন, আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলে ঃ আমরা এতে ঈমান এনেছি, এসবই আমাদের প্রভুর তরফ থেকে এসেছে। জ্ঞানবানরা ব্যতীত কেউ নাসীহাত গ্রহণ করে না” (সূরাহ আলু ইমরান ৩/৭) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘোষণা করেছেন যে, যারা মুতাশাবাহাত আয়াতের পেছনে ছুটে তাদের যখন তুমি দেখবে তখন মনে করবে যে, তাদের কথাই আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বলেছেন। সুতরাং তাদের ব্যাপারে সাবধান থাকবে। [মুসলিম ৪৭/১, হাঃ ২৬৬৫, আহমাদ ২৬২৫৭] (আ.প্র. ৪১৮৭, ই.ফা. ৪১৮৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘ইল্‌ম বাব->কুরআনের অস্পষ্ট আয়াতের অনুকরণ নিষিদ্ধ হওয়া ও এর অনুসারীদের হতে সতর্কতা অবলম্বন এবং কুরআনে বর্ণিত বিষয়ে মতভেদ নিষিদ্ধকরণ হাঃ-৬৬৬৮

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেনঃ “তিনিই তোমার প্রতি এ কিতাবকে অবতীর্ণ করেছেন, যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট মজবুত সাংবিধানিক; এগুলো কিতাবের মূলনীতি আর অন্যগুলো অস্পষ্ট। যাদের হৃদয়ে বক্রতা রয়েছে, শুধু তারাই ফিতনাহ্ এবং ভুল ব্যাখ্যার জন্য যা অস্পষ্ট তার অনুকরণ করে। মূলতঃ আল্লাহ ভিন্ন অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না; আর যারা ‘ইল্‌মে সুগভীর তারা বলে, আমরা এতে বিশ্বাস করি, সবই আমাদের রবের নিকট থেকে সত্য এবং বুদ্ধিমান ছাড়া আর কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না” – (সূরাহ্ আ-লি ‘ইমরান ৩ : ৭)। তিনি (‘আয়িশাহ্) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সেসব লোকদের দেখতে পাবে যারা অস্পষ্ট আয়াতের অর্থের অনুসরণ করে, এরাই সেসব ব্যক্তি, যাদের কথা আল্লাহ আলোচনা করেছেন, সুতরাং তোমরা তাদের থেকে সতর্ক থাক। (ই. ফা. ৬৫৩৩, ই. সে. ৬৫৮৫)