সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->মসজিদের কঙ্কর প্রসঙ্গে হাঃ-৪৫৮

আবূল ওয়ালীদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)–কে মসজিদের কঙ্কর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এক রাতে বৃষ্টি হওয়ার মাটি কর্দমাক্ত হয়ে যায়। তখন এক ব্যক্তি তার কাপড়ে করে ছোট ছোট পাথর টুকরা এনে মাটিতে বিছিয়ে দিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় শেষে বললেনঃ এটা কতই না উত্তম কাজ। [৪৫৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->মসজিদ ও জামাআত বাব->মসজিদে থুথু ফেলা মাকরূহ হাঃ-৭৬২

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদের কেবলার দিকে থুথু দেখতে পেয়ে খুবই রাগান্বিত হন, এমনকি তাঁর চেহারা রক্তিম বর্ণ ধারণ করে। এক আনসারী মহিলা এসে তা মুছে ফেলে এবং সেই স্থানে সুগন্ধি লাগিয়ে দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এটা কত উত্তম। [৭৬০]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->চুলে কলপ লাগানো প্রসঙ্গে হাঃ-১৭৫৩

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বার্ধক্যের শুভ্রতা পরিবর্তনের জন্য মেহেদি (হেনা) ও কাতাম (কালচে ঘাস) তৃণই উত্তম। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (২৬২২)


সুনান নাসাঈ অঃ->মসজিদ বাব->মসজিদকে সুগন্ধিময় করা হাঃ-৭২৮

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদের কিবলার দিকে নাকের ময়লা দেখে এত রাগান্বিত হলেন যে, তাঁর চেহারা মুবারক রক্তিম বর্ণ ধারণ করল। তখন এক আনসারী মহিলা দাঁড়িয়ে তা মুছে ফেলে তদস্থলে খলুক নামক সুগন্ধি লাগিয়ে দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা কতইনা উত্তম কাজ।