‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি একদিন আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর বসরাস্থ বাড়ীতে গেলেন। আর বাড়ীটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত ছিল। তিনি (‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান) তখন সবেমাত্র যুহরের সলাত আদায় করছেন। ‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেনঃ আমরা তাঁর (আনাস ইবনু মালিকের) কাছে গেলে তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি আসরের সলাত আদায় করেছ? আমরা জবাবে তাঁকে বললাম, আমরা এইমাত্র যুহরের সলাত আদায় করে আসলাম। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ যাও ‘আসরের সলাত আদায় করে আসো। এরপর আমরা গিয়ে আসরের সলাত আদায় করে তার কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ ঐ সলাত হলো মুনাফিকের সলাত যে বসে বসে সূর্যের প্রতি তাকাতে থাকে আর যখন তা অস্তপ্রায় হয়ে যায় তখন উঠে গিয়ে চারবার ঠোকর মেরে আসে।এভাবে সে আল্লাহকে কমই স্মরণ করতে পারে। (ই.ফা.১২৮৬, ই.সে.১২৯৮)
আ’লা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যোহরের সালাত আদায় করার পর আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) -এর বসরায় অবস্থিত বাসস্থানে গেলেন। তাঁর বাড়ি মসজিদের পার্শ্বেই ছিল। আ’লা (রহঃ) বলেন, যখন আমরা তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি আসর এর সালাত আদায় করেছ? আমরা বললাম, না। আমরা তো এই মাত্র যোহরের সালাত আদায় করলাম। তিনি বললেন, এখন আসরের সালাত আদায় কর। আ’লা বলেনঃ আমরা তৎক্ষনাৎ সালাতে দাড়িয়ে গেলাম এবং সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, এটা মুনাফিকের সালাত যে বসে সালাতের অপেক্ষারত থাকে, তারপর সূর্য যখন শয়তানের দুই শিং –এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে[১] (সূর্যাস্তের সময় নিকটবর্তী হয়ে যায়) তখন (তাড়াহুড়া করে মোরগের মত) চারটি ঠোকর মারে এবং আল্লাহ্ পাকের স্মরণ সামান্যই করে।