সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সালাম ফিরানোর পর ইমাম মুক্তাদিগণের দিকে ঘুরে বসবেন । হাঃ-৮৪৬

যায়দ ইব্‌নু খালিদ জুহানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে বৃষ্টি হবার পর হুদায়বিয়াতে আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমরা কি জান, তোমাদের পরাক্রমশালী ও মহিমাময় প্রতিপালক কি বলেছেন? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলই বেশি জানেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ (রব) বলেন, আমার বান্দাদের মধ্য কেউ আমার প্রতি মু’মিন হয়ে গেল এবং কেউ কাফির। যে বলেছে, আল্লাহ্‌র করুনা ও রহমতে আমরা বৃষ্টি লাভ করেছি, সে হল আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে বলেছে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টিপাত হয়েছে, সে আমার প্রতি অবিশ্বাসী হয়েছে এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী হয়েছে।


সহিহ বুখারী অঃ->বৃষ্টির জন্য দোয়া বাব->আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ “এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করেছ”। (সূরা আল-ওয়াকিয়াহ ৫৬/৮২) হাঃ-১০৩৮

যায়দ ইব্‌নু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে বৃষ্টিপাতের পরে আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়ায় ফজরের সালাত আদায় করেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম ফিরিয়ে লোকদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা কি জান, তোমাদের রব কী বলেছেন? তাঁরা বললেন, আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি তখন বললেন, (আল্লাহ্‌ বলেছেন) আমার কিছু সংখ্যক বান্দা বিশ্বাসী এবং অবিশ্বাসী হয়ে গেল। যে ব্যক্তি বলে, আল্লাহ্‌র ফযল ও রহমতে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে, সে আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে ব্যক্তি বলে, অমুক অমুক নক্ষত্রে উদয়ের ফলে (বৃষ্টি হয়েছে) সে ব্যক্তি আমার প্রতি অবিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী।


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->হুদাইবিয়াহ্‌র যুদ্ধ। হাঃ-৪১৪৭

যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার বছর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে বের হলাম। এক রাতে খুব বৃষ্টি হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। এরপরে আমাদের দিকে ফিরে বললেন, তোমরা জান কি তোমাদের রব কী বলেছেন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহ্‌র রসূলই অধিক জানেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন (বৃষ্টির কারণে) আমার কতিপয় বান্দা আমার প্রতি ঈমান এনেছে, আর কেউ কেউ আমাকে অমান্য করেছে। যারা বলেছে, আল্লাহ্‌র রহমত, আল্লাহ্‌র দয়া এবং আল্লাহ্‌র ফযলে আমাদের প্রতি বৃষ্টি হয়েছে, তারা আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী মু’মিন এবং তারা নক্ষত্রের প্রভাব অস্বীকারকারী। আর যারা বলেছে যে অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে [৪১], তারা তারকার প্রতি ঈমান এনেছে এবং আমাকে অস্বীকারকারী কাফির। [৮৪৬] (আ.প্র. ৩৮৩৫, ই.ফা. ৩৮৩৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->যে ব্যক্তি বলে ‘আমরা বৃষ্টিলাভ করেছি নক্ষত্রের গুনে’ তার কুফ্‌রীর বর্ণনা হাঃ-১৩৪

যায়দ ইবনু খালিদ আল জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়াহ্‌ প্রান্তরে (বৃষ্টিপাতের পরে) ফাজ্‌রের সলাত আদায় করলেন। সলাত সম্পন্ন করে তিনি উপস্থিত লোকদের লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা কি জান তোমাদের রব কি বলেছেন? তারা উত্তরে বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ই ভাল জানেন। তিনি বললেন, আল্লাহ ইরশাদ করেছেনঃ কতিপয় আমার বান্দা সকালে উঠেছে মু’মিনরূপে এবং কতিপয় বান্দা উঠেছে কাফিররূপে। যারা বলেছেন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়ার বৃষ্টিপাত হয়েছে, তারা আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী, আর যারা বলেছে যে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে, তারা আমার প্রতি অবিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী। (ই.ফা. ১৩৫; ই.সে. ১৩৯)