সহিহ বুখারী অঃ->আহার সংক্রান্ত বাব->আজওয়া খেজুর প্রসঙ্গে হাঃ-৫৪৪৫

সা’দ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেকদিন সকালবেলায় সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন কোন বিষ ও যাদু তার ক্ষতি করবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৮)


সহিহ বুখারী অঃ->চিকিৎসা বাব->আজ্‌ওয়া খেজুর দিয়ে যাদুর চিকিৎসা প্রসঙ্গে। হাঃ-৫৭৬৯

সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সকালবেলায় সাতটি আজ্‌ওয়া (মদীনায় উৎপন্ন উৎকৃষ্ট খুরমা) খেজুর খাবে, সে দিন কোন বিষ বা যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না।( আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৪৪)


সহিহ বুখারী অঃ->চিকিৎসা বাব->বিষ পান করা, বিষের সাহায্যে চিকিৎসা করা, ভয়ানক কিছু দ্বারা চিকিৎসা করা যাতে মারা যাবার আশঙ্কা আছে এবং হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসা করা। হাঃ-৫৭৭৯

সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি ভোরবেলা সাতটি আজ্‌ওয়া খুরমা খেয়ে নিবে, সে দিন বিষ বা যাদু তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৫১)


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->মাদীনার খেজুরের মর্যাদা। হাঃ-৫২৩৪

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া (মদীনার উৎপন্ন এক জাতীয় উৎকৃষ্ট মানের খেজুর) আহার করে, সেদিন তাঁকে কোন বিষ বা যাদু অনিষ্ট করতে পারে না। (ই.ফা. ৫১৬৬, ই.সে.৫১৭৮)