সহিহ বুখারী অঃ->হিবা ও তার ফযীলত এবং এর প্রতি উৎসাহ প্রদান বাব->‘উমরা ও রুকবা [১] ---- সম্পর্কে যা বলা হয়েছে। হাঃ-২৬২৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘উমরাহ বৈধ। ‘আতা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে একই রকম হাদীস শুনিয়েছেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->হিবাত (দান) বাব->উমরার [২১] বর্ণনা হাঃ-৪০৯২

জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আজীবনের জন্যে দান বৈধ। (ই.ফা. ৪০৫৪, ই.সে. ৪০৫৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->হিবাত (দান) বাব->উমরার [২১] বর্ণনা হাঃ-৪০৯৪

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘সারা জীবনের জন্যে দান বৈধ’। (ই.ফা. ৪০৫৬,ই.সে. ৪০৫৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ইজারা (ভাড়া ও শ্রম বিক্রয়) বাব->রুকবা হাঃ-৩৫৫৮

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে জীবনস্বত্ব দেয়া হয় সেটা তারই হয়ে যায়। রুকবা যাকে দেয়া সে-ই হয় এর স্বত্বাধিকারী। সহীহ: ইবনু মাজাহ (২৩৮৩)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হেবা বাব->রুকবা হাঃ-২৩৮৩

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব (উমরা) এক প্রকার দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার এবং রুকবা ও এক প্রকারের দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার। [২৩৮৩]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->বিচার কার্য বাব->উমরা (জীবনস্বত্ব) প্রদান হাঃ-১৩৪৯

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ জীবন-স্বত্ব প্রদান করা (আজীবনের জন্য কিছু দান করা) জায়িয, যে লোককে এটা প্রদান করা হবে তার জন্য অথবা (তিনি বলেন) তা তার উত্তরাধিকারগণের জন্য উত্তরাধিকার স্বত্ব হিসাবে গণ্য। সহীহ্‌, মুসলিম- (৫/৬৯,৭০), জাবির ও আবূ হুরায়রা হতে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->বিচার কার্য বাব->রুকবার বর্ণনা হাঃ-১৩৫১

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তিকে জীবন-স্বত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা তার জন্য হালাল। যে ব্যক্তিকে রুকবা দেওয়া হয়েছে সেটা তার জন্য হালাল। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ- (২৩৮৩), মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->রুক্‌বা বাব->আবু যুবায়র (রহঃ) -এর বর্ণনায় বর্ণনা বিরোধ হাঃ-৩৭১০

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘উম্‌রা’ (কাউকে তার হায়াতকালের জন্য কিছু দান করা) জায়েয (কার্যকর), আর তখন তা তারই হয়ে যাবে, যাকে দেয়া হবে। আর রুক্‌বা ঐ ব্যক্তির জন্য (কার্যকর) হয়ে যায়, যার জন্য তা করা হয়। দান করে ফেরত গ্রহণকারী ঐ ব্যক্তির মত, যে বমি করে তা আবার খায়।


সুনান নাসাঈ অঃ->রুক্‌বা বাব->আবু যুবায়র (রহঃ) -এর বর্ণনায় বর্ণনা বিরোধ হাঃ-৩৭১৭

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ উমরা বৈধ (কার্যকর)।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->উমরারূপে দান১ করা হাঃ-৩৭২৪

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উমরারূপে দান বৈধ (চলমান থাকবে)।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->উমরারূপে দান১ করা হাঃ-৩৭২৫

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উমরা করা বৈধ (কার্যকর)।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->উমরার ব্যাপারে জাবির (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে রাবীদের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৭২৭

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে খুতবা দিতে গিয়ে বললেন: উমরা বৈধ (কার্যকর)।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->উমরার ব্যাপারে জাবির (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে রাবীদের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৭২৯

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: উমরা বৈধ (কার্যকর)।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->উমরার ব্যাপারে জাবির (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে রাবীদের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৭৩৯

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : উমরা (-র বস্তু) যাকে দেয়া হয়, তা তার জন্য বৈধ হয়ে যায়। আর রুক্‌বা যাকে দেয়া হয়, তা তার জন্য বৈধ হয়ে যায়।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->এ বিষয়ে আবূ সালমা (রহঃ)- এর হাদীসে ইয়াহ্‌য়া ইব্‌ন আবূ কাসীর (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইব্‌ন আমর (রহঃ)-এর বর্ণনা বিরোধ হাঃ-৩৭৫৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন : উমরা (করা) বৈধ (কার্যকর)।