সহিহ বুখারী অঃ->শুফ’আ বাব->বিক্রয়ের আগে শুফ্‌‘আ এর অধিকারীর কাছে (বিক্রয়ের) প্রস্তাব করা। হাঃ-২২৫৮

আমর ইবনু শারীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)- এর কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম, তখন মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) এসে তাঁর হাত আমার কাঁধে রাখেন। এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর আযাদকৃত গোলাম আবূ রাফি‘ (রাঃ) এসে বললেন, হে সা‘দ! আপনার বাড়ীতে আমার যে দু’টি ঘর আছে, তা আপনি আমার নিকট হতে খরিদ করে নিন। সা‘দ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, আমি সে দু’টি খরিদ করব না। তখন মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, আপনি এ দু’টো অবশ্যই খরিদ করবেন। সা‘দ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, আমি তোমাকে কিস্তিতে চার হাজার (দিরহাম)- এর অধিক দিব না। আবূ রাফি‘ (রাঃ) বললেন, এই ঘর দু’টির বিনিময়ে আমাকে পাঁচশ’ দীনার দেয়ার প্রস্তাব এসেছে। আমি যদি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশী অধিক হকদার তার নৈকট্যের কারণে, তাহলে আমি এ দু’টি ঘর আপনাকে চার হাজার (দিরহাম)- এর বিনিময়ে কিছুতেই দিতাম না। আমাকে এ দু’টি ঘরের বিনিময়ে পাঁচশ'-দীনার দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। তারপর তিনি তা তাঁকে (সা‘দ (রাঃ)- কে) দিয়ে দিলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->কূটকৌশল বাব->বখ্‌শিশ পাওয়ার জন্য কর্মচারীর কৌশল গ্রহন করা হাঃ-৬৯৮১

‘আম্‌র ইব্‌নু শারীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ রাফি‘ (রাঃ) একটি ঘর ক্রয় করার জন্য আ‘দ ইব্‌নু মালিক (রাঃ)-এর সঙ্গে চারশ’ মিসকাল মূল্য ঠিক করেন। আর বলেন, যদি আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশি তার পার্শ্ববর্তী ভূমির কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অধিক হক্‌দার, তাহলে তোমাকে আমি প্রদান করতাম না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫১০)


সহিহ বুখারী অঃ->কূটকৌশল বাব->হেবা ও শুফ‘আর ক্ষেত্রে কূটকৌশল গ্রহণ করা। হাঃ-৬৯৭৭

‘আম্‌র ইব্‌নু শারীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মিস্‌ওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) এসে তাঁর হাত আমার কাঁধে রাখলেন। তারপর আমি তাঁর সঙ্গে সা‘দ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন আবূ রাফি‘ (রাঃ) মিস্‌ওয়ার (রাঃ) -কে বললেন, আপনি কি ওকে এ কথা বলবেন যে, সে আমার ঐ ঘরটি কিনে নেবে, যে ঘরটি তার বাড়িতে রয়েছে। সা‘দ (রাঃ) বললেন, আমি চারশ’ থেকে অধিক দেব না। তাও আবার কিস্তিতে কিস্তিতে দেব। আবূ রাফি‘ (রাঃ) বললেন, আমাকে নগদ পাঁচশ দেয়া হচ্ছে, অথচ আমি তাকে দিচ্ছি না। আমি যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশী তার পার্শ্ববর্তী ভূমি কেনার ব্যাপারে অধিক হক্‌দার, তাহলে আমি তা তোমার কাছে বিক্রি করতাম না। অথবা বলেছেন, তোমাকে আমি তা দিতাম না। আমি সুফইয়ান (রহঃ)-কে বললাম যে, মা‘মার তো এমনটি বলেননি। তিনি বললেন, কিন্তু তিনি আমাকে এমনটি বলেছেন। কিছু সংখ্যক লোক বলেন, কেউ যদি কোন ভূমি বিক্রি করে, তাহলে কৌশলের আশ্রয় গ্রহন করে শুফ‘আহ্‌র অধিকার রদ করে দিতে পারে। যেমন বিক্রেতা ক্রেতাকে বাড়িটি দান করে দেবে এবং তার সীমানা বর্ণনা করে ক্রেতার কাছে সোপর্দ করে দেবে। এরপর ক্রেতা বিক্রেতাকে এক হাজার দিরহাম দিয়ে দেবে। এই অবস্থায় শাফী’র জন্য তাতে শুফ‘আহ্‌র অধিকার থাকবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫০৬)


সহিহ বুখারী অঃ->কূটকৌশল বাব->হেবা ও শুফ‘আর ক্ষেত্রে কূটকৌশল গ্রহণ করা। হাঃ-৬৯৭৮

আবূ রাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা‘দ (রাঃ) তার নিকট হতে চারশ’ মিসকাল দিয়ে একটা ঘর ক্রয় করার জন্য দর করেন। তখন তিনি বলেন, যদি আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে না শুনতাম যে, “প্রতিবেশী তার পার্শ্ববর্তী ভূমি কেনার ব্যাপারে অধিক হক্‌দার” তাহলে তোমাকে আমি দিতাম না। কেউ কেউ বলেন, যদি কেউ বাড়ির কোন অংশ কিনে নেয় এবং শুফ্‌আর অধিকার বাতিল করে দিতে চায়, তাহলে তার ছোট ছেলেকে তা দান করে দিবে। আর তখন তার ওপর কোন কসমও আসবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫০৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->অগ্র-ক্রয়াধিকার বাব->প্রতিবেশীর শুফআর অধিকার হাঃ-২৪৯৫

আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নৈকট্যের কারণে প্রতিবেশী (শুফআর) অধিক হকদার। [২৪৯৫]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->অগ্র-ক্রয়াধিকার বাব->প্রতিবেশীর শুফআর অধিকার হাঃ-২৪৯৬

শারীদ বিন সুওয়ায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি বললাম, ইয়া রাসূলল্লাহ! এক খণ্ড জমি যাতে কারো অংশও নেই এবং শারীকও নেই, কিন্তু প্রতিবেশী আছে। তিনি বললেনঃ নৈকট্যের কারণে প্রতিবেশীই তার অধিক হকদার। [২৪৯৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->অগ্র-ক্রয়াধিকার বাব->প্রতিবেশীর শুফআর অধিকার হাঃ-২৪৯৬

শারীদ বিন সুওয়ায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি বললাম, ইয়া রাসূলল্লাহ! এক খণ্ড জমি যাতে কারো অংশও নেই এবং শারীকও নেই, কিন্তু প্রতিবেশী আছে। তিনি বললেনঃ নৈকট্যের কারণে প্রতিবেশীই তার অধিক হকদার। [২৪৯৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->অগ্র-ক্রয়াধিকার বাব->প্রতিবেশীর শুফআর অধিকার হাঃ-২৪৯৬

শারীদ বিন সুওয়ায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি বললাম, ইয়া রাসূলল্লাহ! এক খণ্ড জমি যাতে কারো অংশও নেই এবং শারীকও নেই, কিন্তু প্রতিবেশী আছে। তিনি বললেনঃ নৈকট্যের কারণে প্রতিবেশীই তার অধিক হকদার। [২৪৯৬]


সুনান নাসাঈ অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->শুফআ ও তার বিধান হাঃ-৪৭০২

আবূ রাফে’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিবেশী শুফ’আর বেশি হকদার।


সুনান নাসাঈ অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->শুফআ ও তার বিধান হাঃ-৪৭০৩

আমর ইব্‌ন শারীদ তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি বললোঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমার জমি আছে, যাতে কারও অংশীদারিত্ব নেই এবং কারো ভাগও নেই। তবে আমার প্রতিবেশী আছে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রতিবেশী শুফ’আর অদিক হকদার।