সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->৮/৫৫. অধ্যায়ঃ হাঃ-৪৩৫

‘উবাইদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন ‘উত্‌বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা ও ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যু পীড়া শুরু হলে তিনি তাঁর একটা চাদরে নিজ মুখমণ্ডল আবৃত করতে লাগলেন। যখন শ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হলো, তখন মুখ হতে চাদর সরিয়ে দিলেন। এমতাবস্থায় তিনি বললেনঃ ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহ্‌র অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছেন। (এ বলে) তারা যে (বিদ’আতী) কার্যকলাপ করত তা হতে তিনি সতর্ক করেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪২৩)


সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->৮/৫৫. অধ্যায়ঃ হাঃ-৪৩৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা ইয়াহূদীদের ধবংস করুন। কেননা তারা তাদের নবীদের করবকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪২৪)


সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->কবরের উপরে মসজিদ বানানো ঘৃণিত কাজ। হাঃ-১৩৩০

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যে রোগে মৃত্যু হয়েছিল, সে রোগাবস্থায় তিনি বলেছিলেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারা সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহর অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, সে আশঙ্কা না থাকলে তাঁর (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) কবরকে উন্মুক্ত রাখা হত, কিন্তু আমি আশঙ্কা করি যে, (উন্মুক্ত রাখা হলে) একে মসজিদে পরিণত করা হবে।


সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বক্‌র ও ‘উমর (রাঃ)-এর কবর সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে। হাঃ-১৩৯০

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্তিম রোগশয্যায় বলেন, ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। কারণ, তারা তাদের নবী গণের কবরকে সিজদার স্থানে পরিণত করেছে। (রাবী উরওয়া বলেন) এরূপ আশঙ্কা না থাকলে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবরকে (ঘরের বেষ্টনীতে সংরক্ষিত না রেখে) খোলা রাখা হতো। কিন্তু তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) আশংকা করেন বা আশংকা করা হয় যে, পরবর্তীতে একে মসজিদে পরিণত করা হবে। রাবী হিলাল (রহঃ) বলেন, উরওয়া আমাকে (আবূ আমর) কুনিয়াতে ভূষিত করেন আর তখন পর্যন্ত আমি কোন সন্তানের পিতা হইনি। ------------------ ১৩৯০/১. সুফিয়ান তাম্মার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবর উটের কুজের ন্যায় (উঁচু) দেখেছেন। (আ.প্র.১৩০০, ই.ফা.১৩০৮) ------------------ ১৩৯০/২. উরওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ওয়ালীদ ইবনু আবদুল মালিক-এর শাসনামলে যখন (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাওযার) বেষ্টনী দেয়াল ধসে পড়ে, তখন তাঁরা সংষ্কার করতে আরম্ভ করলে একটি পা প্রকাশ পায়, তা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কদম মুবারক বলে ধারণা করার কারণে লোকেরা খুব ঘাবড়ে যায়। সনাক্ত করার মত কাউকে তারা পায়নি। অবশেষে উরওয়া (রাঃ) তাদের বললেন, আল্লাহর কসম এ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পা নয় বরং এতো ‘উমর (রাঃ)-এর পা। (৪৩৫) (আ.প্র. ১৩০১, ই.ফা.১৩০৯)


সহিহ বুখারী অঃ->আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) বাব->বনী ইসরাঈল সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে। হাঃ-৩৪৫৩

‘আয়িশা ও ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে বলেন, যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হল তখন তিনি স্বীয় মুখমণ্ডলের উপর তাঁর একখানা চাদর দিয়ে রাখলেন। অতঃপর যখন খারাপ লাগল, তখন তাঁর চেহারা হতে তা সরিয়ে দিলেন এবং তিনি এ অবস্থায়ই বললেন, ইয়াহূদী ও নাসারাদের ওপর আল্লাহ্‌র অভিশাপ। তারা তাদের নবী‎গণের কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তারা যা করেছে তা হতে নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিমদেরকে সতর্ক করছেন।


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর রোগ ও তাঁর ওফাত হাঃ-৪৪৪১

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সেই রোগাবস্থায় যাত্থেকে তিনি আর সেরে উঠেননি- বলেন, ইয়াহুদীদের প্রতি আল্লাহ লা'নত করেছেন। তারা তাদের নাবীদের কবরগুলোকে সাজদাহ্‌র জায়গা করে নিয়েছে। 'আয়িশাহ (রাঃ)মন্তব্য করেন,তা না হলে তবে তাঁর কবরকেও সাজদাহ্‌র জায়গা বানানোর আশঙ্কা ছিল। [৪৩৫] (আ.প্র. ৪০৯১, ই.ফা. ৪০৯৪)


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর রোগ ও তাঁর ওফাত হাঃ-৪৪৪৩

‘আয়িশাহ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আববাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ (রহ.) আমাকে জানালেন যে, ‘আয়িশাহ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আববাস (রাঃ) উভয়ে বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগ-যাতনায় অস্থির হতেন তখন তিনি তাঁর কালো চাদর দিয়ে নিজ মুখমন্ডল ঢেকে রাখতেন। আবার যখন জ্বরের উষ্ণতা কমত তখন মুখমন্ডল থেকে চাদর সরিয়ে ফেলতেন। রাবী বলেন, এরূপ অবস্থায়ও তিনি বলতেন, ইয়াহূদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর লা‘নত, তারা তাদের নাবীদের (নবীদের) কবরকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কৃতকর্ম থেকে সতর্ক করা হয়েছে। [৪৩৫, ৪৩৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪০৯৫)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->কম্বল ও কারুকার্যপূর্ণ চাদর পরিধান প্রসঙ্গে। হাঃ-৫৮১৫

আয়িশা ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, তখন তিনি তাঁর কারুকার্যপূর্ণ চাদর দ্বারা মুখ ঢেকে রাখেন। যখন তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসত তখন তাঁর মুখ থেকে তা সরিয়ে নিতেন। এ অবস্থায় তিনি বলতেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারাদের উপর আল্লাহ্‌র লা’নাত, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা হাঃ-১০৭১

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগ-শয্যায় বলেছিলেন, আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃস্টানদের) প্রতি লা’নাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেনঃ যদি এরূপ করার আশঙ্কা না থাকতো তাহলে তাকে উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর দেয়া হত। কিন্তু যেহেতু তিনি আশংকা করতেন যে, তাঁর ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করা হতে পারে তাই উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর করতে দেননি। বরং ‘আয়িশাহ (রাঃ) -এর কক্ষে তাঁর ক্ববর করা হয়েছে। তবে ইবনু আবূ শায়বাহ্-এর বর্ণিত হাদীসে (আরবি) স্থানে (আরবি) কথাটি বর্ণনা করা হয়েছে। আর তিনি ক্বালাত শব্দটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৬৫ ই.সে. ১০৭৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা হাঃ-১০৭২

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদদের ধ্বংস করুন। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান বানিয়ে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৬, ই.সে. ১০৭৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা হাঃ-১০৭৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর অভিসম্পাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৭, ই.সে. ১০৭৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা হাঃ-১০৭৪

‘আয়িশাহ্ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়েই বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওয়াফাতের সময় ঘনিয়ে আসলে তিনি চাদর টেনে টেনে মুখমন্ডলের উপর দিচ্ছিলেন। কিন্তু আবার যখন অস্বস্তিবোধ করছিলেন তখন তা সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তিনি বলছিলেন ইয়াহূদ (ইয়াহূদী) ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে (অর্থাৎ-সেখানে তারা সাজদাহ্ করে)। আর ইয়াহূদ ও নাসারাদের মতো না করতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বার বার হুঁশিয়ার করে দিচ্ছিলেন। (ই.ফা. ১০৬৮, ই.সে. ১০৭৬)


সুনান নাসাঈ অঃ->মসজিদ বাব->কবরকে মসজিদরূপে ব্যবহার করার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৭০৩

আয়েশা (রাঃ) ও ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা বলেন : যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাতের সময় নিকটবর্তী হয়ছিল, তখন তিনি তাঁর চেহারার উপর চাদর ফেলেছিলেন আর যখন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন তিনি তাঁর চেহারা হতে তা সরিয়ে ফেলেছিলেন, আর ঐ অবস্থায় তিনি বলছিলেন, ইয়াহূদী এবং খ্রিস্টানদের ওপর আল্লাহ’র লা’নত, তারা তাদের নবীগনের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবরকে মসজিদ বানানো হাঃ-২০৪৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ লোকদের উপর আল্লাহ অভিসম্পাৎ দিয়েছেন, যারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে মসজিদরূপে বানিয়ে নিয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবরকে মসজিদ বানানো হাঃ-২০৪৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ইয়াহূদ এবং খ্রীষ্টানদের আল্লাহর অভিসম্পাৎ দিয়েছেন, যারা স্বীয় নবীদের কবরসমূহকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে।