সহিহ বুখারী অঃ->যামিন হওয়া বাব->আল্লাহ তা’আলার বাণী: “যাদের সঙ্গে তোমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তাদেরকে তাদের অংশ দিয়ে দিবে।” (আন-নিসা : ৩৩) হাঃ-২২৯৪

আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার নিকট কি এ হাদীস পৌঁছেছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইসলামে হিল্‌ফ (জাহিলী যুগের সহযোগিতা চুক্তি) নেই? তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে কুরাইশ এবং আনসারদের মধ্যে সহযোগীতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ। হাঃ-৬০৪৭

সাবিত ইবনু যাহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি গাছের নীচে বাই‘আত গ্রহণকারীদের অন্যতম সহাবী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দলের উপর কসম খাবে, সে ঐ দলেরই শামিল হয়ে যাবে। আর মানুষ যে জিনিসের মালিক নয়, এমন জিনিসের নযর আদায় করা তার উপর ওয়াজিব নয়। আর কোন লোক দুনিয়াতে যে জিনিস দিয়ে আত্মহত্যা করবে, ক্বিয়ামতের দিন সে জিনিস দিয়েই তাকে ‘আযাব দেয়া হবে। কোন লোক কোন মু‘মিনের উপর অভিশাপ দিলে, তা তাকে হত্যা করারই শামিল হবে। আর কোন মু‘মিনকে কাফির বললে, তাও তাকে হত্যা করার মতই হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৮)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->ভ্রাতৃত্বের ও প্রতিশ্রুতির বন্ধন স্থাপন। হাঃ-৬০৮৩

আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম আপনি জানেন কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে প্রতিশ্রুতি নেই? তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আমার ঘরেই কুরায়শ আর আনসারদের মাঝে পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির বন্ধন জুড়ে দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪১)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->আত্মহত্যা করা মহাপাপ, যে ব্যক্তি যে বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে জাহান্নামে সে বস্তু দ্বারা তাকে শাস্তি দেয়া হবে এবং মুসলিম ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। হাঃ-২০২

সাবিত ইবনু যাহ্‌হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (হুদাইবিয়াহ্‌ প্রান্তরে) গাছের নীচে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে বাই’আত করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের উপর মিথ্যা কসম করে, সে সে দলেরই। আর যে ব্যক্তি কোন বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে, কিয়ামাত দিবসে উক্ত বস্তু দ্বারা তাকে শাস্তি দেয়া হবে। যে ব্যক্তি এমন বস্তুর মানৎ করে যার মালিক সে নয়, এরূপ মানৎ কার্যকরী নয়। (ই.ফা. ২০৩; ই.সে. ২১০)


সহিহ মুসলিম অঃ->বিবাহ বাব->শিগার বিবাহ হারাম ও তা বাতিল হাঃ-৩৩৫৯

ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “ইসলামে শিগার নেই।” (ই.ফা. ৩৩৩৩, ই.সে. ৩৩৩২)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ হাঃ-৬৩৫৭

আলিম ইবনুল আহওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌঁছেছে যে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরায়াশ ও আনসারদের মাঝে তাঁর গৃহে বসেই বন্ধুত্ব –চুক্তি করেছিলেন। (ই.ফা. ৬২৩৩,ই.স ৬২৮১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) এর পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করার বিবরণ হাঃ-৬৩৫৯

জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে অবৈধ চুক্তির কোন অবকাশ নেই। তবে জাহিলী যুগে ভাল কাজের উদ্দেশ্যে যে সব চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা ইসলামে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করে দিয়েছে। (ই.ফা. ৬২৩৫, ই.স ৬২৮৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ফারায়িয (ওয়ারিসী স্বত্ব) বাব->শপথ বা চুক্তি সম্পর্কে হাঃ-২৯২৫

জুবাইর ইবনু মুত্ব’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (অন্যায় কাজে) চুক্তিবদ্ধ হওয়া ইসলামে জায়িয নয়। ইসলাম জাহিলী যুগের এ জাতীয় চুক্তির উপর কঠোরতা আরোপ করেছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->মৃতের জন্য বিলাপ করা হাঃ-১৮৫২

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মহিলাদের বায়আত করার সময়ে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন যে, তারা মৃতের জন্য বিলাপ করবে না। তখন তারা বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মহিলারা জাহিলী যুগে মৃতের জন্য বিলাপে আমাদের সহযোগিত করত। এখন আমরা কি মৃতের জন্য বিলাপে তাদের সহযোগিতা করব না? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইসলামে মৃতের জন্য বিলাপ কোন সহযোগিতা নেই।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->যে বস্তুতে মালিকানা নেই, তার মান্নত করা হাঃ-৩৮১৩

সাবিত ইব্‌ন যাহ্‌হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের শপথ করবে অথচ সে এ ব্যপারে মিথ্যাবাদী, তখন সে ঐরূপই হয়ে যাবে, যেমন সে বলবে। আর যে ব্যক্তি পৃথিবীতে কোন বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে, কিয়ামতের দিন তা দিয়েই তাকে আযাব দেয়া হবে। মানুষ যার মালিক নয়, তাতে তার মান্নত হয় না।