সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়য ও ইস্তেহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-২১৫

ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ যখন হায়যের রক্ত হয়, যা কাল রক্ত, চেনা যায়, তখন তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করে নেবে। কেননা তা একটি শিরামাত্র (যা হতে রক্ত নির্গত হয়)।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়য ও ইস্তেহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-২১৫

ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ যখন হায়যের রক্ত হয়, যা কাল রক্ত, চেনা যায়, তখন তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করে নেবে। কেননা তা একটি শিরামাত্র (যা হতে রক্ত নির্গত হয়)।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়য ও ইস্তেহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-২১৫

ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ যখন হায়যের রক্ত হয়, যা কাল রক্ত, চেনা যায়, তখন তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করে নেবে। কেননা তা একটি শিরামাত্র (যা হতে রক্ত নির্গত হয়)।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়য ও ইস্তেহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-২১৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) এর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কাল বর্ণের হয়ে থাকে যা সহজে চেনা যায়। যখন এ রক্ত দেখা দেবে তখন সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত দেখা দেবে তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়য ও ইস্তেহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-২১৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) এর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কাল বর্ণের হয়ে থাকে যা সহজে চেনা যায়। যখন এ রক্ত দেখা দেবে তখন সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত দেখা দেবে তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়য ও ইস্তেহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-২১৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) এর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কাল বর্ণের হয়ে থাকে যা সহজে চেনা যায়। যখন এ রক্ত দেখা দেবে তখন সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত দেখা দেবে তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়ায ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-৩৬২

ফাতিমা বিন আবূ হুরায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এ সময় সালাত হতে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয়, তবে উযূ করে নেবে। কেননা তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্তবিশেষ।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়ায ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-৩৬২

ফাতিমা বিন আবূ হুরায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এ সময় সালাত হতে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয়, তবে উযূ করে নেবে। কেননা তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্তবিশেষ।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়ায ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-৩৬২

ফাতিমা বিন আবূ হুরায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এ সময় সালাত হতে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয়, তবে উযূ করে নেবে। কেননা তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্তবিশেষ।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়ায ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-৩৬৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমা বিনত আবু হুরায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এমতবস্থায় তুমি সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়ায ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-৩৬৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমা বিনত আবু হুরায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এমতবস্থায় তুমি সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়ায ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-৩৬৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমা বিনত আবু হুরায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এমতবস্থায় তুমি সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।