সহিহ বুখারী অঃ->আকীকা বাব->ফারা সম্পর্কে। হাঃ-৫৪৭৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ)‎ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (ইসলামে) ফারা বা আতীরা নেই। ফারা হল ঊটের সে প্রথম ‎বাচ্চা, যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবেহ করত। আর আতীরা হল রজবে যে জন্তু যবেহ করত। ‎


সহিহ বুখারী অঃ->আকীকা বাব->আতীরাহ হাঃ-৫৪৭৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ)‎ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (ইসলামে) ফারা ও আতীরা নেই। ফারা হল উটের প্রথম বাচ্চা যা ‎তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবেহ্ দিত। আর আতীরা যা রজবে যবেহ করত। ‎(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৬৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->কুরবানী বাব->ফারা“ ও “আতীরাহ্‌ হাঃ-৫০১০

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অন্য সানাদে মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ফারা’ ও ‘আতীরাহ্ (রজব মাসের প্রথম দশদিনের যাবাহকৃত পশু) বলতে (ইসলামে) কিছু নেই। ইবনু রাফি‘ (রহঃ) তার রিওয়ায়াতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন- ফারা’ হলো (পশুর) প্রথম বাচ্চা, যা তারা যাবাহ করতো। (ই.ফা. ৪৯৫৪, ই.সে. ৪৯৬০)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কুরবানী বাব->ফারাআ ও আতীয়াহ বিষয়ে হাঃ-১৫১২

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ (এখন আর কোন) ফারাআ নেই, আতীরাহ্ও নেই। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (৩১৬৮), নাসা-ঈ


সুনান নাসাঈ অঃ->ফারা‘ এবং ‘আতীরা বাব->ফারা‘ এবং ‘আতীরা হাঃ-৪২২২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এখন ফারা‘১ এবং ‘আতীরা নেই।


সুনান নাসাঈ অঃ->ফারা‘ এবং ‘আতীরা বাব->ফারা‘ এবং ‘আতীরা হাঃ-৪২২৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাদের একজন বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফারা‘ এবং ‘আতীরা করতে নিষেধ করেছেন। অন্যজন বললেনঃ এখন আর ফারা’ ও ‘আতীরা [২] নেই।