সহিহ বুখারী অঃ->হায়েজ বাব->ইসতিহাযা হাঃ-৩০৬

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতু আবূ হুবায়শ (রাঃ) আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কখনও পবিত্র হই না। এমতাবস্থায় আমি কি সালাত ছেড়ে দেব? আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ হলো এক ধরনের বিশেষ রক্ত, হায়েযের রক্ত নয়। যখন তোমার হায়েয শুরু হয় তখন তুমি সালাত ছেড়ে দাও। আর হায়েয শেষ হলে রক্ত ধুয়ে সালাত আদায় কর।[১] (২২৮) (আ.প্র. ২৯৫, ই.ফা. ৩০০)


সহিহ বুখারী অঃ->হায়েজ বাব->ইস্‌তিহাযাগ্রস্তা নারীর পবিত্রতা দেখা। হাঃ-৩৩১

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হায়েয দেখা দিলে সালাত ছেড়ে দাও আর হায়েযের সময় শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নাও এবং সালাত আদায় কর। (২২৮) (আ.প্র. ৩১৯, ই.ফা. ৩২৪)


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়য ও ইস্তেহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-২১৮

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমি পাক হই না, আমি কি সালাত ত্যাগ করব? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা একটি শিরামাত্র (যা হতে রক্ত নির্গত হয়), এটা হায়য নয়। যখন হায়য দেখা দেবে, তখন সালাত ত্যাগ করবে আর যখন হায়যের মুদ্দত অতিবাহিত হবে, তখন গোসল করে রক্ত দূর করবে এবং সালাত আদায় করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়ায ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য হাঃ-৩৬৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিন্‌ত আবু হুবায়শ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমি পবিত্র হই না। আমি কি সালাত আদায় করা ছেড়ে দেব? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা শিরা থেকে নির্গত রক্ত, হায়য নয়। অতএব যখন হায়য আরম্ভ হয় তখন সালাত ছেড়ে দিবে, আর যখন তার সমপরিমাণ সময় অতিবাহিত হবে, তখন তোমার শরীর হতে রক্ত ধুয়ে নেবে এবং সালাত আদায় করবে।