বারা' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ (রাঃ) নামীয় আমার এক মামা সলাত আদায়ের আগেই কুরবানী করেছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ তোমার বক্রী কেবল গোশ্তের বক্রী হল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমার কাছে একটি ঘরে পোষা বক্রীর বাচ্চা আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেটাকে কুরবানী করে নাও। তবে তা তুমি ছাড়া অন্য কারো জন্য ঠিক হবে না। এরপর তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের আগে যবহ্ করেছে, সে নিজের জন্যই যবহ্ করেছে, আর যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পরে যবহ্ করেছে, সে তার কুরবানী পূর্ণ করেছে। আর সে মুসলিমদের নিয়ম নীতি অনুসারেই করেছে। শা'বী ও ইবরাহীম 'উবাইদাহ (রহঃ) হতে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন। হুরাইস সূত্রে শা’বী থেকে ওয়াকী’ এরকমই বর্ণনা করেন। শা’বী থেকে আসিম ও দাউদ আমার নিকট পাঁচ মাসের দুধের বকরীর বাচ্চা আছে বলে বর্ননা করেছেন। আবুল আহওয়াস বলেনঃ মানসূর আমাদের কাছে দু’ মাসের দুধের বাচ্চা আছে বলে বর্ননা করেছেন। ইবনু আউন বলেছেনঃ দুধের বাচ্চা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪৫)
বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মামা আবূ বুরদাহ্ (রাঃ) সলাতের আগে কুরবানী করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওটা গোশ্তের বকরী। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার কাছে ছয় মাসের একটি বকরীর বাচ্চা রয়েছে। তিনি বললেন, সেটি যাবাহ করো। তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য তা ঠিক হবে না। অতঃপর তিনি বললেন, যে লোক সলাতের আগে যাবাহ করল, সে শুধু নিজের জন্যই যাবাহ করল (অর্থাৎ আল্লাহর জন্য হলো না)। আর যে লোক সলাতের পর যাবাহ করল, তার কুরবানী পূর্ণ হয়ে গেল এবং সে মুসলিমদের শারী’আত অনুযায়ী কাজ করল। (ই.ফা. ৪৯০৯, ই.সে. ৪৯১৩)