সহিহ বুখারী অঃ->খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) বাব->খুমুস পৃথক না করেই বন্দীগনের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর অনুগ্রহ। হাঃ-৩১৩৯

জুবাইর ইব্‌নু মুতয়িম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদরের যুদ্ধে বন্দীদের ব্যাপারে বলেন, ‘যদি মুতয়িম ইব্‌নু আদী (রাঃ) জীবিত থাকতেন আর আমার নিকট এ সকল নোংরা লোকের জন্যে সুপারিশ করতেন, তবে আমি তাঁর সন্মানার্থে এদের মুক্ত করে দিতাম।’


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->পরিচ্ছেদ নেই হাঃ-৪০২৪

যুহরী (রহঃ) মুহাম্মাদ ইব্‌নু যুবায়র ইব্‌নু মুত‘ঈমের মাধ্যমে তার পিতা যুবায়র ইব্‌নু মুত‘ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাদ্‌রের যুদ্ধবন্দীর ব্যাপারে বলেছেন, আজ মুত‘ঈম ইব্‌নু ‘আদী [১৬] যদি বেঁচে থাকতেন আর এসব অপবিত্র লোকদের সম্পর্কে যদি আমার নিকট সুপারিশ করতেন, তাহলে তার সম্মানে এদেরকে আমি (মুক্তিপণ ব্যতীতই) ছেড়ে দিতাম। লায়স ইয়াহ্‌ইয়ার সূত্রে সা‘ঈদ ইব্‌নু মুসায়্যিব (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, প্রথম ফিত্‌না অর্থাৎ ‘উসমানের হত্যাকাণ্ড [১৭] সংঘটিত হবার পর বদ্‌রে যোগদানকারী সাহাবীদের আর কেউ বেঁচে ছিলেন না। দ্বিতীয় ফিত্‌না তথা হাররার ঘটনা সংঘটিত হবার পর হুদাইবিয়াহ্‌র সন্ধিকালীন সময়ের কোন সাহাবীই আর জীবিত ছিলেন না। এরপর তৃতীয় ফিত্‌না সংঘটিত হওয়ার পর তা কখনো শেষ হয়নি, যতদিন মানুষের মধ্যে আক্‌ল ও সদ গুণাবলী বহাল ছিল। [৩১৩৯] (আ.প্র. ৩৭২৪, ই.ফা. ৩৭২৮)