সহিহ বুখারী অঃ->ইল্‌ম বাব->‘আলিমের বসে থাকা অবস্থায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করা। হাঃ-১২৩

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর পথে যুদ্ধ কোনটি, কেননা আমাদের কেউ লড়াই করে রাগের বশবর্তী হয়ে, আবার কেউ লড়াই করে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য। তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর মাথা তোলার কারণ ছিল যে, সে ছিল দাঁড়ানো। অতঃপর তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহর বাণী বিজয়ী করার জন্য যে যুদ্ধ করে তার লড়াই আল্লাহর পথে হয়।’ (২৮১০, ৩১২৬, ৭৪৫৮; মুসলিম ৩৩/৪২, হাঃ ১৯০৪, আহমাদ ১৯৫১০, ১৯৫৬০, ১৯৬১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১২৫)


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->যে ব্যক্তি আল্লাহর দ্বীনকে বুলন্দ করার উদ্দেশ্যে জিহাদ করে। হাঃ-২৮১০

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, এক ব্যক্তি গনীমতের জন্য, এক ব্যক্তি প্রসিদ্ধ হওয়ার জন্য এবং এক ব্যক্তি বীরত্ব দেখানোর জন্য জিহাদে শরীক হলো। তাদের মধ্যে কে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করল? তিনি বললেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কালিমা বুলন্দ থাকার উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করল, সে-ই আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করল।’


সহিহ বুখারী অঃ->খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) বাব->যে ব্যক্তি গনীমত লাভের জন্য জিহাদ করে তার সওয়াব কি কম হবে? হাঃ-৩১২৬

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট প্রশ্ন করল যে, ‘কেউ যুদ্ধ করে গনীমত লাভের জন্য, কেউ যুদ্ধ করে খ্যাতি অর্জনের উদ্দেশ্যে আর আর যুদ্ধ করে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য, এদের মধ্যে কে আল্লাহ্‌র পথে যুদ্ধ করল?’ তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কালিমা উচ্চ করার উদ্দেশ্যে জিহাদ করে, সেই আল্লাহ্‌র রাহে জিহাদকারী।’


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌ তা’আলার বানীঃ আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এ কথা আগেই স্থির হয়ে গেছে। (সূরা আস্‌ সাফফাত ৩৭/১৭১) হাঃ-৭৪৫৮

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, কেউ যুদ্ধ করে মর্যাদার জন্য, কেউ বীরত্বের জন্য, কেউ লোক দেখানোর জন্য। এদের কার যুদ্ধটা আল্লাহ্‌র পথে হচ্ছে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে লোক আল্লাহ্‌র বাণীকে উর্দ্ধে তুলে ধরার জন্য যুদ্ধ করে, সেটাই আল্লাহ্‌র পথে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫০)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->যে আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে আল্লাহর পথের মুজাহিদ হাঃ-৪৮১৩

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, জৈনেক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এক ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে, অন্য এক ব্যক্তি স্মরণীয় হওয়ার জন্য, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে নিজের উচ্চমর্যাদা প্রদর্শনের জন্যে। এগুলার মধ্যে কোনটি আল্লাহর পথে বলে গন্য হবে? তখন রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে ব্যক্তিই আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে)। (ই.ফা. ৪৭৬৬, ই.সে. ৪৭৬৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->যে আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে আল্লাহর পথের মুজাহিদ হাঃ-৪৮১৪

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, যে ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি গোত্রের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে যুদ্ধ করে এগুলোর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ (বলে গন্য হবে)? তখন (জবাবে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি এ উদ্দেশে যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বাণী সমুন্নত হবে, (কেবল) সে আল্লাহর রাস্তায় (বলে গন্য হবে)। ( ই.ফা. ৪৭৬৭, ই.সে. ৪৭৬৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->যে আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে আল্লাহর পথের মুজাহিদ হাঃ-৪৮১৬

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আল্লাহর পথে যুদ্ধ সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তখন সে ব্যক্তি বলল, এক ব্যক্তি ক্রোধের বশে যুদ্ধ করে এবং গোত্রের টানে যুদ্ধ করে। তখন তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। তাঁর এ মাথা তোলা শুধু এজন্যই ছিল যে , সে লোকটি দন্ডায়মান অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এজন্য যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বানী সমুন্নত হবে, কেবল সে আল্লাহর রাহে (যুদ্ধ করে)। ( ই. ফা. ৪৭৬৯, ই. সে. ৪৭৭০ )