সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->মহান আল্লাহর বাণীঃ “আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা ভোরের সাদা রেখা পরিষ্কার দেখা যায় । তারপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত”- (আল-বাকারাহ্: ১৮৭) । এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বারা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করেছেন । হাঃ-১৯১৬

‘আদী ইব্‌নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এই আয়াত নাযিল হলোঃ “তোমারা পানাহার কর (রাত্রির) কাল রেখা হতে (ভোরের) সাদা রেখা যতক্ষণ স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়” তখন আমি একটি কাল এবং একটি সাদা রশি নিলাম এবং উভয়টিকে আমার বালিশের নিচে রেখে দিলাম। রাতে আমি এগুলোর দিকে বারবার তাকাতে থাকি। কিন্তু আমার নিকট পার্থক্য প্রকাশিত হলো না। তাই সকালেই আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে এ বিষয় বললাম। তিনি বললেনঃ এতো রাতের আঁধার এবং দিনের আলো।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই হাঃ-২৪২৩

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যখন এ আয়াত (আরবী) “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”- (সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ ২ : ১৮৭) নাযিল হলো, তখন ‘আদী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার বালিশের নীচে একটি কালো ও একটি সাদা রংয়ের রশি রেখে দিয়েছি। এগুলোর দ্বারা আমি রাত ও দিনের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে থাকি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাসি-ঠাট্টাচ্ছলে) বললেন, তোমার বালিশ তো খুবই চওড়া। জেনে রাখো, এ-তো রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা। (ই.ফা. ২৪০০, ই.সে. ২৪০০)