সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->‘‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পাবে সে যেন এ মাসে সওম করে ।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৮৫) হাঃ-৪৫০৭

সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ এ আয়াত অবতীর্ণ হল এবং যারা সওম পালনের সামর্থ্য রাখে তারা একজন মিসকীনকে ফিদ্য়া স্বরূপ আহার্য দান করবে। তখন যে ইচ্ছা সওম ভঙ্গ করত এবং তার পরিবর্তে ফিদ্য়া প্রদান করত। এরপর পরবর্তী আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং পূর্বোক্ত আয়াতের হুকুম রহিত করে দেয়। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, ইয়াযীদের পূর্বে বুকায়র মারা যান। [মুসলিম ১৩/২৫, হাঃ ১১৪৫] (আ.প্র. ৪১৪৯, ই.ফা. ৪১৫২)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->আল্লাহর বাণী –“আর যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম তারা ফিদ্‌ইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দিবে” – এ হুকুম মানসূখ হয়ে গেছে হাঃ-২৫৭৫

সালমাহ্ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম (অথচ সিয়াম পালন করতে চায় না) তারা ফিদইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করবে” যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল, কেউ যদি রামাদানে সিয়াম পালন করতে না চাইতো সে সিয়াম ভাঙ্গত এবং তার পরিবর্তে ফিদইয়াহ্ আদায় করে দিত। অতঃপর এর পরবর্তি আয়াত অবতীর্ণ হলো এবং তা পূর্ববর্তী আয়াতের হুকুমকে মানসূখ (রহিত) করে দিল।” (ই.ফা. ২৫৫২, ই.সে. ২৫৫১)


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আল্লহর বাণীঃ (আরবী আছে) -এর তফসীর হাঃ-২৩১৬

সালামা ইব্‌ন আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (আরবী আছে) আয়াত অবর্তীর্ন হল তখন আমাদের মধ্যে যারা ইচ্ছা করত সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেলত এবং ফিদয়া দিত। যখন তার পরবর্তী আয়াত: (আরবী আছে) অবর্তীর্ন হল উক্ত আয়াতের হুকুমকে রহিত করে দিল।