সহিহ বুখারী অঃ->গোসল বাব->মযী বের হলে তা ধুয়ে ফেলে উযূ করা। হাঃ-২৬৯

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার অধিক মযী বের হত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা আমার স্ত্রী হবার কারনে আমি একজনকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালাম। তিনি প্রশ্ন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উযূ কর এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেল। (১৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৬৭)


সহিহ বুখারী অঃ->গোসল বাব->জুনুবী উযূ করে নিদ্রা যাবে। হাঃ-২৯০

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উমর ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, রাতে কোন সময় তাঁর গোসল ফরয হয় (তখন কী করতে হবে?) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ উযূ করবে, লজ্জাস্থান ধুয়ে নিবে তারপর ঘুমাবে।


সহিহ মুসলিম অঃ->হায়িয (ঋতুস্রাব) বাব->নাপাক অবস্থায় ঘুমানো জায়িয; তবে খাদ্যগ্রহণ, শয়নকালে অথবা স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করতে চাইলে তার জন্যে ওযূ করা এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে নেয়া মুস্তাহাব হাঃ-৫৯১

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একবার রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, তিনি যদি রাতে (স্ত্রী সহবাসকালে) নাপাক হন (তাহলে কি করবেন)। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, তুমি (তখন) ওযূ করবে এবং তোমার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে তারপর ঘুমাবে। (ই.ফা. ৫৯৫, ই.সে. ৬১১)


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->জুনুব ব্যক্তি নিদ্রা যেতে ইচ্ছা করলে উযূ করা এবং লজ্জাস্থান ধৌত করা হাঃ-২৬০

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট উল্লেখ করলেন যে, রাতে তিনি জানাবাতগ্রস্ত হন। (এরপর ঘুমাতে চাইলে কি করবেন?) তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরূপ হলে তুমি উযূ করবে এবং লজ্জাস্থান ধৌত করবে, তারপর ঘুমাবে।