সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->সম্মতি ব্যতীত ঋতুমতীকে ত্বলাক্ব প্রদান হারাম, যদি ত্বলাক্ব দেয় তবে ত্বলাক্ব হয়ে যাবে এবং ত্বলাক্ব প্রদানকারীকে রাজ‘আতের (স্ত্রী ফিরিয়ে নেয়ার) নির্দেশ দিতে হবে হাঃ-৩৫৬২

আবূ যুবায়র (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আয্যাহ্-এর মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু আয়মান (রহঃ)-কে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন করতে শুনলেন, আবূ যুবায়র (রহঃ) তখন শুনছিলেন– “যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক্ব দিল তার তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী?” ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে ত্বলাক্ব দিল যখন সে ঋতুমতী ছিল। ‘উমার (রাঃ) এ বিষয়ে রসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেন, ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তাকে ত্বলাক্ব দিয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, সে যেন তাকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়। সুতরাং (এভাবে) তিনি তাকে (স্ত্রীকে) ফিরিয়ে নিলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বললেন, যখন (হায়য হতে) পবিত্র হয়ে যাবে তখন (ইচ্ছা করলে) যেন ত্বলাক্ব দেয় কিংবা রেখে দেয়। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, এবং (এ সময়) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেনঃ (অর্থ) “হে নাবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদের ত্বলাক্ব দিতে ইচ্ছা কর তখন তাদের ত্বলাক্ব দিও তাদের ‘ইদ্দাতের (সময় আগমনের) অগ্রভাগে”- (সূরাহ্ আত্ ত্বলাক্ব ৬৫ : ১)। ( ই.ফা. ৩৫৩৪, ই.সে. ৩৫৩৩)