সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->সম্মতি ব্যতীত ঋতুমতীকে ত্বলাক্ব প্রদান হারাম, যদি ত্বলাক্ব দেয় তবে ত্বলাক্ব হয়ে যাবে এবং ত্বলাক্ব প্রদানকারীকে রাজ‘আতের (স্ত্রী ফিরিয়ে নেয়ার) নির্দেশ দিতে হবে হাঃ-৩৫৫১

সালিম (রহ) সূত্রে ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নিজের স্ত্রীকে তার ঋতুবতী অবস্থায় ত্বলাক্ব দিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সকাশে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তাঁকে আদেশ কর যেন সে তাকে রাজ’আত করে নেয়। পরে যেন তাকে তুহর (পবিত্র) অবস্থায় কিংবা গর্ভাবস্থায় (অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে) ত্বলাক্ব দেয়।[৫৭] (ই.ফা. ৩৫২৩, ই.সে. ৩৫২২)


সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->সম্মতি ব্যতীত ঋতুমতীকে ত্বলাক্ব প্রদান হারাম, যদি ত্বলাক্ব দেয় তবে ত্বলাক্ব হয়ে যাবে এবং ত্বলাক্ব প্রদানকারীকে রাজ‘আতের (স্ত্রী ফিরিয়ে নেয়ার) নির্দেশ দিতে হবে হাঃ-৩৫৫৮

আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে তার সে স্ত্রী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যাকে তিনি ত্বলাক্ব দিয়েছিলেন। তিনি বললেন, তাকে আমি ত্বলাক্ব দিয়েছিলাম- যখন সে হায়য অবস্থায় ছিল। আমি বিষয়টি ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আলোচনা করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তার স্ত্রীকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়। পরে যখন সে পাক হবে তখন যেন সে (ইচ্ছা করলে) তার পাক অবস্থায় তাকে ত্বলাক্ব দেয়। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, তবে কি হায়য অবস্থায় প্রদত্ত ত্বলাক্বটি কি আপনি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, আমি কেন সেটা গণনায় ধরবো না? যদি আমি অক্ষম হই অথবা নির্বুদ্ধিতা প্রকাশ করি (তাহলে কি আমার এ কাজ গণনায় আসবে না?) ( ই.ফা. ৩৫৩০, ই.সে. ৩৫২৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->সম্মতি ব্যতীত ঋতুমতীকে ত্বলাক্ব প্রদান হারাম, যদি ত্বলাক্ব দেয় তবে ত্বলাক্ব হয়ে যাবে এবং ত্বলাক্ব প্রদানকারীকে রাজ‘আতের (স্ত্রী ফিরিয়ে নেয়ার) নির্দেশ দিতে হবে হাঃ-৩৫৫৯

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক্ব দেই। ‘উমার (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেন, তাঁকে আদেশ কর সে যেন তাঁর স্ত্রীকে রাজ’আত করে। পরে যখন সে পবিত্র হবে তখন যেন সে (ইচ্ছা করলে) তাকে পবিত্র অবস্থায় ত্বলাক্ব দেয়। আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বললাম, তবে কি হায়য অবস্থায় প্রদত্ত ত্বলাক্বটি কি আপনি কি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, তবে কী করব। (ই.ফা. ৩৫৩১, ই.সে. ৩৫৩০)