‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কুরআন এবং এ কাগজে যা লিখা আছে তা ছাড়া কোন কিছু লিপিবদ্ধ করিনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আয়ির পর্বত হতে এ পর্যন্ত মাদীনাহ্র হরম এলাকা। যে কেউ দ্বীনের ব্যাপারে বিদ্’আত উদ্ভাবণ করে কিংবা কোন বিদ্’আতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তা’আলা, ফেরেশতা ও সকল মানুষের লা’নত। তার কোন ফরয কিংবা নফল ‘ইবাদাত গৃহীত হবে না। আর সকল মুসলমানের পক্ষ হতে নিরাপত্তা একই স্তরের। সাধারন মুসলিম নিরাপত্তা দিলে সকলকে তা রক্ষা করতে হবে। যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দেয়া নিরাপত্তা বাধাগ্রস্ত করবে তার উপর আল্লাহ তা’আলার লা’নত এবং ফেরেশতামণ্ডলী ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরয ‘ইবাদাত গৃহীত হবে না। আর যে স্বীয় মনিবের অনুমতি ব্যতীত অন্যদের সঙ্গে বন্ধুত্বের চুক্তি করে, তার উপর আল্লাহ তা’আলার লা’নত এবং ফেরেশতামণ্ডলী ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরয ‘ইবাদত কবূল হবে না।
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মাদীনাহ্ হারাম। অতএব, যে এখানে কোন পাপে লিপ্ত হয় অথবা কোন পাপীকে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকাহ্ এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নফল (কিছুই) কবূল করা হবে না। (ই.ফা. ৩১৯৬, ই.সে. ৩১৯৩)
ইব্রাহীম তাইমী (রাযিঃ) তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) আমাদের সামনে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, যে ব্যক্তি মনে করে যে, এ পুস্তিকা ও আল্লাহর কিতাব ব্যতীত আমাদের কাছে এমন কিছু আছে যাকে আমরা অধ্যয়ন করি সে মিথ্যা বলছে। সে (বর্ণনাকারী) বললঃ সে সময় তার [‘আলী (রাঃ)] তরবারির খাপের মধ্যে একখানা পুস্তক ঝুলানো ছিল। এ পুস্তিকায় উটের দাঁতের বিবরণ ছিল এবং যখমের দিয়াত (ক্ষতিপূরণ) সম্পর্কে বিধান ছিল। এতে আরও উল্লেখ ছিল যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাদীনার ‘আয়র’ থেকে ‘সাওর’ পর্বত পর্যন্ত এলাকা হারাম (সংরক্ষিত স্থান)। যে ব্যক্তি এ এলাকায় বিদ’আত করবে অথবা কোন বিদ’আতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহর লা’নাত, তাঁর ফেরেশ্তাদের ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত বর্ষিত হবে। কিয়ামাত দিবসে আল্লাহ তার কোন ফরয কিংবা নফল ক্ববূল করবেন না। সকল মুসলিমের দায়িত্ব অভিন্ন। একজন সাধারণ মুসলিমও এ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবে। যে ব্যক্তি তার পিতাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে পিতা বলে দাবী করবে অথবা যে ক্রীতদাস তার মনিবকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মাওলা বানায় তার উপর আল্লাহর লা’নাত, ফেরেশ্তা ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত বর্ষিত হবে। কিয়ামাত দিবসে আল্লাহ তার কোন ফরয কিংবা নফল (‘ইবাদাত) ক্ববূল করবেন না। (ই.ফা. ৩৬৫২, ই.সে. ৩৬৫২)